ঢাকাই ছবির প্রখ্যাত পরিচালক ও অভিনেতা কাজী হায়াতের ছেলে কাজী মারুফ এখন আর সিনেমায় কাজ করেন না। স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন সুদূর আমেরিকায়। ২০১৯ সালে দেশটির গ্রিন কার্ড পান তিনি।
অভিনয় যার রক্তে তিনি কেন দেশ ছেড়ে মার্কিন মুলুকে প্রবাসী হলেন? কেমন চলছে তার প্রবাসী জীবন?
এর আগে ‘ইতিহাস’খ্যাত এই নায়ক অকপটেই জানিয়েছিলেন, রুটি-রুজির তাগিদে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। আর সবার মতো এখানে কাজ করে জীবন নির্বাহ করছেন।
এবার এ নায়ক জানালেন, সেখানে শুধু থাকছেনই না। ইতোমধ্যে চারটি বাড়ির মালিকানাও নিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে ফেসবুকে চারটি বাড়ির ছবি পোস্ট করেন মারুফ। সঙ্গে জুড়ে দেন কয়েক লাইনের ক্যাপশন। সেখানে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ চারটি বাড়ি নিউইয়র্কে।
ভক্তদের মনে কোনো প্রশ্ন জন্ম নিতে পারে- তা আঁচ করে এই অভিনেতা লিখেছেন, “বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের টাকায় বাড়ি কিনিনি। এখানে কষ্ট করে বাড়ি কিনেছি। আমি সব সময় দেশে রেমিটেন্স পাঠাই। দেশে কিছুই নেই আমার যে দেশ থেকে টাকা নিয়ে আসব।”
এদিকে এই অভিনেতা যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও দেশে থাকতে চান তিনি। দেশকে খুব ভালোবাসেন। এই ব্যাপারে লিখেছেন, ‘আমি দেশকে ভালোবেসেছি কিন্তু দেশ কি আমাকে ভালোবেসেছে? কেন আমি আমেরিকাতে? বাংলাদেশে থাকতে চাই আমিও। উড়োজাহাজ দেখলে খুব ইচ্ছে করে কবে দেশে যাবো, মনে ইচ্ছে হয়, কিন্তু আছে। কিন্তু গল্প বলতে আসবো একদিন।’
প্রসঙ্গত, কাজী মারুফ চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন ‘ইতিহাস’ সিনেমার মাধ্যমে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত এই চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ২০০২ সালে। প্রথম সিনেমায় অভিনয় করেই তার হাতে ওঠে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
বেশকিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন কাজী মারুফ। এর মধ্যে রয়েছে- ‘অন্ধকার’, ‘রাস্তার ছেলে’, ‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’, ‘দারোয়ানের ছেলে’, ‘দেহরক্ষী’, ‘ইভটিজিং’, ‘সর্বনাশা ই য়াবা’।
