পরিবার ও মিডিয়ার চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে প্রেম করেছেন দেশের জনপ্রিয় নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। এরপর গত বছরের ১০ নভেম্বর নিজের জন্মদিনে প্রেমিককে সামনে আনেন নায়িকা।
একইদিন তারা আংটি বদলের মাধ্যমে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এরপর ৪ জানুয়ারি জমকালো আয়োজনে বাঁধা পড়েন সাত পাকে। স্বামী সনি পোদ্দার পেশায় একজন ব্যাংকার।
বিয়ের পর কতটা বদলেছে মিমের জীবন? ৮ মাস পর এই অভিনেত্রী জানান, আগের মতো স্বাধীন জীবন নেই। এখন অনেক দায়বদ্ধতা এসেছে। একসঙ্গে দুই পরিবার সামলাতে হয়।
রাগ–অভিমান মিলিয়ে কেমন চলছে এই অভিনেত্রীর সংসার? একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা তারকা হলেই কি অন্য গ্রহের মানুষ? আমরা তো আর দশজনের মতোই। তাদের মতোই আমাদের সংসার চলছে। মাঝেমধ্যে সময় পেলে শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লা যাওয়ার চেষ্টা করি। তারাও আমাকে আপন করে নিয়েছে। আমার শাশুড়ি মেয়ের মতো ভাবে। সবাই খুব আদর করে। অভার অল যদি বলি, তাহলে আমি সংসার নিয়ে অনেক খুশি। অনেক ভালো চলছে।
ছোটবেলা থেকে মিমের একটু রাগ ও জেদ বেশি। তবে বিয়ের পর এই রাগ ও জেদ আরও কমেছে বলে হাসলেন। জানান, তাঁর স্বামী সনি পোদ্দার একজন নরম স্বভাবের মানুষ। কোনো বিষয় নিয়েই তাঁর সঙ্গে রাগ করা হয় না। আর সনি সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব পালন করেন। মিমের ভাষায়, ‘আমাদের দুজনের ব্যক্তিগত, সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাগ হয় কিন্তু সেটা মুহূর্তেই ভুলে যাই।’
মিম বলেন, ‘দেখা যায় আমার রাগ হয়েছে আমি বাইরে বসে আছি। কিছু সময় পর ও (সনি পোদ্দার) পাশে এসে বসল। আবার সনির রাগ হলে আমি সহজেই বুঝি। সে চুপচাপ থাকে, ঘুমিয়ে যায়। কোনো কথা বলবে না। আমাদের সংসারে যে সব সময় রাগারাগি হয়, তেমন নয়। এটা খুবই কম সময়।’
এই যুগল বেশির ভাগ সময় একসঙ্গে বাসায় সিনেমা দেখেন। মাঝেমধ্যে একটু ঘুরতে যান। পরিবারের সঙ্গে আড্ডা দেন। মিম মনে করেন, ‘সংসার ঠিকমতো চালাতে গেলে সবারই কোনো কোনো বিষয় নিয়ে ছাড় দিতে হবে। এই মানসিকতা আমাদের দুজনেরই রয়েছে। সম্মান–শ্রদ্ধাবোধ দুজনের প্রতি থাকতে হবে। দুজন দুজনই কে বুঝতে হবে।’
