আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে খাদের কিনারায় চলে যাওয়া শ্রীলঙ্কা চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ করল এশিয়া কাপের ১৫তম আসর। গ্রুপ পর্বে আফগানদের কাছে আসরের প্রথম ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় হওয়ার উপক্রম হয়েছিল শ্রীলঙ্কার।
ওই এক হারের পর আর হারতে হয়নি লঙ্কানদের। দাসুন শানাকার দুর্দান্ত নেতৃত্বে একের পর এক জয় তুলে ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে ২৩ রানে। ১৭০ রানের লক্ষ্য টপকাতে গিয়ে গুটিয়ে যায় ১৪৭ রানে। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরে শিরোপা জিতলো লঙ্কানরা।
দেশে চলছে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। যে কারণে আয়োজক হয়েও নিজ দেশে এশিয়া কাপের পঞ্চাদশ আসর বসাতে ব্যর্থ হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এশিয়া কাপে অংশ নেয়া দলগুলোকে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আয়োজক হিসেবে থাকলেও আরব আমিরাতে ম্যাচগুলো আয়োজন করেছে লঙ্কানরা।
পাশাপাশি টি-টোয়েন্টিতে সাম্প্রতিক সময়টা ভালোও যাচ্ছিল না তাদের। হারের বৃত্ত থেকে বের হতে খাবি খাচ্ছিল দাশুন শানাকার দল। এশিয়া কাপের চলতি আসরের শুরুটাও হয়েছিল তাদের আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাজেভাবে হেরে। কিন্তু পাশার দান পুরোই ঘুরে যায় গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশকে হারিয়ে।
এশিয়া কাপ শুরুর আগে কেউই হয়তো আশা করেনি আন্ডারডগ দলটি এশিয়ার সেরা হওয়ার দৌড়ে অংশ নিয়ে ফাইনাল পর্যন্ত আসবে? হয়তো বা কেউ সামান্যতম আশাও দেখেনি লঙ্কানদের নিয়ে যে ঘরেই রেখে দিবে শিরোপা। নিঃসন্দেহে বলাই যায় এটি ভাবনাতীত ছিল সকলেরই।
সেই শ্রীলঙ্কাই কিনা ফেভারিট হয়ে এশিয়া কাপ শুরু করা পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল ফাইনাল ম্যাচে। তাও কিনা ব্যাক টু ব্যাক দুই ম্যাচে। দুবাইয়ের সকল পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে।
অসাধ্যকে সম্ভব করেছে দাশুন শানাকা এন্ড কোং। পাকিস্তানকে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়ে বল হাতে তাদের আটকে দিয়েছে ১৪৭ রানেই। সেই সুবাদে ২৩ রানের জয়ে ষষ্ঠ বারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিল ক্রিস সিলভারউডের শিষ্যরা।
