মুক্তির আগেই নিজের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন ‘ভাইয়ারে’ সিনেমার অভিনেতা রাসেল মিয়া। ভ্যানগাড়ি চালিয়ে ছবিটির প্রচারণা করে সবার নজর কাড়েন তিনি।
তবে বিতর্কের জন্ম দেন সিনেমাটি মুক্তির পর। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে নিজের ছবিকে ‘পাপমুক্ত’ চলচ্চিত্র হিসেবে দাবি করেন তিনি। এতে নাখোশ হয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
পরিচালক সমিতির সভাপতি ও গুণী নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান সংবাদমাধ্যমের নিকট দাবি করেন, রাসেল বিতর্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সেইসঙ্গে তাকে এফডিসিতে ঢুকতে দেখলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন এই পরিচালক। তবে রাসেল দাবি করেছেন, তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন না। সেই সঙ্গে সোহানুর রহমান সোহানের এমন মন্তব্যে বিস্মিত তিনি।
এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে রাসেল মিয়া বলেন, ‘উনি কথাটি বলেছেন কী না আমি জানি না। তবে আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছি এ কথা তিনি কীভাবে বলেন? আমি তো গতকাল বৃহস্পতিবার পরিচালক সমিতির সামনে দাঁড়িয়ে একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে এলাম। উনি নাকি আমাকে খুঁজছেন। আমার সিনেমার প্রযোজক রকিব সাহেব আছেন। সোহান সাহেব চাইলে তার থেকেও আমার নাম্বার নিতে পারতেন। পাশাপাশি অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গেও তো আমার যোগাযোগ আছে। তারপরও উনি এ কথা কীভাবে বলেন?’
এফডিসিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আনা হলে কি করবেন— জানতে চাইলে রাসেল বলেন, ‘আমি যদি কোনো অন্যায় করে থাকি সেক্ষেত্রে সবাই যদি রায় দেন যে আমাকে এফডিসিতে ঢুকতে দেওয়া হবে না সেটা আমি মাথা পেতে নেব।’
আবেগের বশে পাপমুক্ত বলে ফেলেছিলেন দাবি করে তিনি বলেন, “আপনারা দেখেছেন, ভাইয়ারে ছবি নিয়ে শুটিং থেকে শুরু করে প্রচার-প্রচারণায় আমি যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি, এই পরিশ্রমের ফলাফল হিসেবে চিত্রামহল সিনেমা হলে আমি যখন হাউজ ফুল দর্শক দেখতে পাই, তখন সাংবাদিকদের সামনে আবেগে আপ্লুত হয়ে কসম খেয়ে বলে ফেলেছি, এই ছবি করতে গিয়ে আমি ব্যক্তিগত কোনো পাপ করিনি।
“আমার এই কথায় যদি কোন ধর্মপ্রাণ মানুষ কোনো ধরনের কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আমাকে আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করে দিবেন।”
