ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করতে বড় আকারের গরুগুলোকে বস, রাজাবাবু, টাইগারবাবুসহ বিভিন্ন নাম দিয়ে থাকেন খামারিরা।
তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউরফতেহপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের খামারি ইউনুস মিয়া তার এক গরুর নাম রেখেছেন জায়েদ খান। ষাঁড় গরুটির ওজন ৬০০ কেজিরও বেশি। নবীনগর উপজেলার আহাম্মদপুর পশুর হাটে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে ‘জায়েদ খানকে’।
বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খানের নামে নাম রাখা গরুটিকে দেখার জন্য হাটে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। গরুটির দাম চাওয়া হচ্ছে ৩ লাখ টাকা। তবে এখন পর্যন্ত জায়েদ খানের দাম উঠেছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
খামারি ইউনুস মিয়া জানান, এবার কুরবানির পশুর হাটে তোলার জন্য তার খামারে ২০টিরও বেশি গরু পালন করেছেন। খামারের বড় গরুগুলোকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন নাম দেয়া হয়েছে। জায়েদ খানের নামও আকর্ষণের জন্যই দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা আছে ১ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ৭৫টির পশুর হাট অনুমোদন দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এসব হাটে অন্তত ৭০০ কোটি টাকার পশু বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
