গাড়ি কিনলেন ২৬ লাখে, হিরো আলমের মাসিক আয় কত?

সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচিত নাম হিরো আলম। তার নামের সঙ্গে ভাইরাল শব্দটি ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। শোবিজের বিভিন্ন মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেছেন তিনি। তাকে ঘিরে শত সমালোচনা, তবে কোনো কিছুকে তোয়াক্কা না করে আপন মনে কাজ করে যাচ্ছেন হিরো আলম।

বগুড়ার এই যুবক একাধারে প্রযোজক, অভিনেতা, গায়ক ও সমাজহিতৈষী। ডিসলাইনের (ক্যাবল অপারেটর) ব্যবসায়ী হিরো আলম এখন পুরো বাংলার মানুষের কাছে পরিচিত।

সম্প্রতি ফিল্ডার ২০১৮ মডেলের নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন হিরো আলম। এর মধ্যদিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

রবিবার হিরো আলম একটি ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আমার স্বপ্ন ছিল হিরো হওয়ার। ভগবান তা পূরণ করেছে। আমি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চিন্তাভাবনা করি। আল্লাহ সেটাও পূরণ করেছে। আমার অনেক বিপদ ছিল। আল্লাহ তাও দূর করেছে। আমার স্বপ্ন ছিল সৎপথে রোজগার করে গাড়ি কিনব। আল্লাহ আজ আমার সেই স্বপ্নও পূরণ করেছে। এখন ঢাকা শহরে একটি ফ্ল্যাট কিনতে পারলেই সব স্বপ্ন পূরণ হবে।”

“সৎপথে রোজগার করা কঠিন” এই মন্তব্য করে তিনি জানান, এই গাড়ি কেনার জন্য অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছেন তিনি।

আসলে হিরো আলমের নতুন গাড়িটির দাম কত? এই প্রসঙ্গে হিরো আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটি গণমাধ্যমকে বলেন, টয়োটা ফিল্ডার ২০১৮ মডেলের গাড়িটির দাম ২৬ লাখ টাকা। আর এই বিপুল দাম দিয়ে গাড়ি কিনতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই খুশি এই বাংলাদেশি তারকা।

তিনি জানান, পাঁচটি ছবিতে অভিনয় করেছি। অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছি প্রতিদিন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের জন্য গাড়ি কেনায় অত্যন্ত সুবিধা হবে। সম্প্রতি হিরো আলমের ‘আমি রূপ নগরের রাজা’ গানটি মুক্তি পেয়েছে। এই গানও ‘মেগা হিট’ হতে চলেছে বলে আশাবাদী তিনি।

এদিকে অনেকেই হিরো আলমের আয়ের উৎস জানতে চায়। তিনি কীভাবে সিনেমা প্রযোজনা করেন, সেটা জানতে চান।

এ ব্যাপারে হিরো জানান, ‘ফেসবুকে আমার ২ মিলিয়নের একটি ফ্যান পেজ রয়েছে। আর ইউটিউবে Hero Alom Official-এ সাবস্ক্রাইবার এখন ১.৪৩ মিলিয়ন। মূলত, সোশ্যাল মিডিয়ার এই প্লাটফর্মগুলো ব্যবহার করেই আমার যত আয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন তো আমার গাওয়া গানও দর্শকশ্রোতারা গ্রহণ করছেন। তবে আয় স্থিতিশীল না, কখনো বাড়ে, কখনো কমে। কোনো মাসে ৩ লাখ, কোনো মাসে আবার ১ লাখ। বর্তমানে লাখের ঘরেই আছে।’

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যতীত স্টেজ-শো করেও আয় করেন হিরো আলম। তিনি জানান, ‘বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে কিছু টাকা আসে। এই আয়ের টাকা থেকে গরিবদের সাহায্য করি, সিনেমা নির্মাণ করি। টাকা তো জমাই না, যা আয়, তাই ব্যয়। তবে অর্থ বেশি হলে খুব ইচ্ছে ছিল বড় আয়োজনের আরও ভালো ভালো সিনেমা নির্মাণ করার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *