রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখীর সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আজ শনিবার (২১ মে) ভোররাত থেকে আকাশ মেঘলা হতে থাকে। ভোর ৬টা নাগাদ শুরু হয় বাতাস। ধীরে ধীরে এর গতি বাড়ে। সেই সঙ্গে নামে মুষলধারে বৃষ্টি।
এতে রাস্তাঘাট ভিজে গেছে। কোথাও কোথাও পানি জমেছে। তাতে তীব্র তাপদাহের মধ্যে স্বস্তি পাচ্ছেন জনসাধারণ।
ছুটির দিন ও ভোর থেকে বৃষ্টি হওয়ায় রাজধানীর রাস্তায় সেভাবে যানবাহন ছিল না। ফলে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের ছাতা হাতে- রেইনকোট পরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। খানিকটা ভোগান্তিরও শিকার হন তারা।
অফিসমুখী মানুষের ভোগান্তি
সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শনিবার কর্মস্থলে যেতে হয়েছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের। বৃষ্টির মধ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে গন্তব্যে যেতে যানবাহন পেতে সমস্যা হয়েছে অনেকের। কেউ কেউ জলাবদ্ধ সড়ক ধরে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন।
২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস
আবহাওয়া অধিদপ্তরের শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, মর্তবান উপসাগর ও তৎসংলগ্ন মিয়ানমারে সৃষ্টি লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরবর্তী সময়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
এটি উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে মিয়ানমার উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। অপর একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গা, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলি চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
