Home বিনোদন বিয়ে, ঘর-সংসারের স্বপ্ন আমিও দেখি: জয়া আহসান

বিয়ে, ঘর-সংসারের স্বপ্ন আমিও দেখি: জয়া আহসান

0
209

এপার হোক কিংবা ওপার, দুই বাংলাতেই সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ‘বিনি সুতোয়’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তৃতীয়বারের মতো ‘ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড বাংলা’ পেয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি জয়া আহসানের কাছে জানাতে চাওয়া হয়েছিল, কাজের স্বীকৃতি কতটা আনন্দ দেয়? এর জবাবে জয়া বলেন, ‘স্বীকৃতি পেলে ভালো লাগে। কাজের অনুপ্রেরণা বেড়ে যায়। তবে কোনো স্বীকৃতির কথা মাথায় রেখে কাজ করি না। আমার কাছে মনে হয়, স্বীকৃতি বা পুরস্কার লড়াই করার মানসিকতা দুর্বল করে দেয়।

তিনি বলেন, কাজে যদি চ্যালেঞ্জ না থাকে, তাহলে ভালো কিছু আশা করাই বৃথা। এ কারণে যে চরিত্র আমি পর্দায় তুলে ধরছি, তা দর্শকের হৃদয় স্পর্শ করতে পারব কিনা- এটাই থাকে ভাবনায়। অভিনয়ের মধ্য দিয়ে মানুষের মনে দাগ কেটে যাওয়া, তাদের সঙ্গে হৃদয়ের সংযোগ তৈরি করতে পারাই আমার কাছে বড় পুরস্কার।

যে জয়া ব্যস্ত জীবনের কিছু সময় একান্ত নিজের জন্য খুঁজে নেন। জানালায় চোখ মেলে তাকিয়ে থাকেন আকাশপানে। একের পর এক সাফল্যের পরও সেই জয়া কি কখনও সুখ-দুঃখের হিসাব-নিকাশ কষতে বসে যান?

এ প্রশ্নে মুখে আলতো হাসি ধরে রেখে জয়া বলেন, ‘আমি তো অন্যসব মানুষের চেয়ে আলাদা নই। জীবন থেকে কিছু মানুষের হারিয়ে যাওয়া, ব্যস্ত দিনের রুটিনে প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য না পাওয়া- কখনও কখনও খারাপ লাগে। অনেক প্রাপ্তির পরও এক ধরনের শূন্যতা যে অনুভব করি না, তা নয়। বিয়ে, ঘর-সংসারের স্বপ্ন আমিও দেখি।

তবে যাই করি না কেন, প্রতিটি ধাপে বুঝেশুনে পা ফেলতে চাই। ছোট ছোট সুখ-দুঃখ নিয়েই তো জীবন। তাই আলাদা করে এর হিসাব-নিকাশ করার মানে হয় না। আমি কীভাবে চলছি, কীভাবে চলতে চাই, সে প্রশ্নই নিজেকে করি। এরপর সিদ্ধান্ত নিই, পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।

এই যে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা ছুটে বেড়ান, কখনও মনে ক্লান্তি ভর করে না? ‘ছুটে চলার নামই তো জীবন। আর যখন আপনি সৃষ্টি কিংবা কাজের মধ্য দিয়ে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন, বিশ্বের যে প্রান্তেই ছুটে যান না কেন, ক্লান্তি আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। শুধু আমার বেলায় নয়, সবার বেলাই এটা সত্যি। কাজ করতে গিয়ে যখন আপনি ক্লান্তি অনুভব করবেন, তখনই বুঝতে হবে আপনার ছুটি নেওয়ার সময় হয়ে গেছে।’

জয়ার এ কথা থেকে এটা স্পষ্ট, নিরলস কাজ করে যাওয়াই তার জীবনের লক্ষ্য। কিন্তু এটাও সত্যি, যত ব্যস্তই থাকুন না কেন, জনপ্রিয়তার জোয়ের গা ভাসাতে তিনি নারাজ। সব সময় সেটাই করতে চান, যা তার মন সায় দেয়। তার জন্য মানচিত্রের বেড়াজালে নিজেকে আটকেও রাখতে চান না। তারপরও একটা বিষয় দৃষ্টি কাড়ে তা হলো, দেশের চেয়ে দেশের বাইরে গিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here