দাম কমে পেঁয়াজের কেজি এখন ২৫ টাকা

আমদানি ও সরবরাহ বাড়ায় দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে আমদানিকৃত ও দেশীয় পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশীয় জাতের পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা আর ভারতীয় আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১২ থেকে ১৫ টাকা। আর এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে পাইকার ও সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।

শনিবার সন্ধ্যায় হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ কেজিতে ১২ থেকে ১৫ টাকা কমে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা দরে। অন্যদিকে, দেশীয় জাতের পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা কুদ্দুস আলী জানান, বাজারে এসে দেখি গত কয়েকদিনের থেকে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই কমেছে। ৫০ টাকার পেঁয়াজ চাচ্ছে ৩০ টাকা, ৪০ টাকা কেজির পেঁয়াজ চাচ্ছে ২৮ টাকা। দাম কমায় কিছুটা হলেও আমাদের জন্য ভালো।

হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা রায়হান হোসেন বলেন, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে সপ্তাহের ব্যবধানে সব পেঁয়াজের দাম কমেছে। দাম কমার কারণে বেচা-কেনা ভালো হচ্ছে। আমরা আড়ৎ এবং বন্দরে কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারলে বাজারেও কম দামে বিক্রি করি।

হিলি কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১২৮ ট্রাকে ৩ হাজার ৩১৭ মেট্রিক টন পেয়াঁজ আমদানি হলেও পরের সপ্তাহে আমদানি হয়েছে ভারতীয় ২০৩ ট্রাকে ৫ হাজার ৭৪৬ মেট্রিক টন পেয়াঁজ। যা গত সপ্তাহের চেয়ে ২ হাজার ১২৯ টন বেশি।

বন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, চলতি মৌসুমে বাজারে দেশীয় মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো। এ কারণে দাম কমতির দিকে ছিল। এছাড়া আমদানির পরিমাণও কম ছিল। তবে মাঘের হঠাৎ বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজের জমি নষ্ট হয়ে উৎপাদন ব্যহত হয়। এতে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় দাম বাড়তে থাকে। পেঁয়াজের দাম হাফ সেঞ্চুরি পার করে। এতে করে বিপাকে পড়েন নিন্ম আয়ের মানুষজন। এ কারণে আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হয়। সরবরাহ বাড়ায় দামও কমে এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *