বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বগুড়ায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ছিল ৪৫ টাকা। একদিনের ব্যবধানে শুক্রবার সকালে সেই পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ২৫ টাকা। শুক্রবার ৭০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে রাতারাতি দাম বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা বলছেন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমবে।
শহরের ফতেহ আলী বাজারসহ কাঁচামালের বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারে ৪০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। পরে কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে কেজি প্রতি ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হতে থাকে। হঠাৎ করে শুক্রবার সকাল থেকে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে।
ফহেত আলী বাজারের আব্দুল আলিম নামে পেঁয়াজের খুচরা বিক্রেতা জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের দাম ছিল ৪০ টাকা ও খুচরা বাজারে ৪৫ টাকা। শুক্রবার পাইকারী বাজারে পেঁয়াজ কিনতে গেলে দাম চাওয়া হয় ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি, আর তা কিনে খুচরা বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে ৭০ টাকায়।
এদিকে পেঁয়াজের আবাদের ভরা মৌসুমে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকায় বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ।
বাজারে জনৈক মফিদুল ইসলাম নামে ক্রেতা বলেন,রাতের মধ্যে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে কেজিতে ২৫ টাকা বেড়ে যাওয়া কেমন কথা। পেঁয়াজ নিয়ে কোন কারসাজি করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
শহরের রাজাবাজার আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলছেন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করবে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানী বন্ধ থাকায় বাজারে প্রভাব পড়েছে। তিনি আরো বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হলেও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে আমদানি শুরু হলে বাজার স্বাভাবিক হবে।
এদিকে হুট করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে অস্বাভাবিক বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। এক লাফে পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২৫ টাকা পর্যন্ত।
শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ৫০-৬০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এই পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩০-৩৫ টাকা।
