ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে বাড়াতে সাধারণ মানুষের সহ্যের বাইরে নিয়ে গেছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। এখন নতুন করে আরও দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তারা। তবে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে রমজানের আগে তেলের দাম আর বাড়ানো হবে না।
ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সমিতি বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন ১ মার্চ থেকে ১৮০ টাকা লিটার দরে সয়াবিন তেল বিক্রির কথা জানিয়ে সরকারকে চিঠি দেয়ার পরদিন সোমবার এ কথা বলেন মন্ত্রী।
টিপু মুনশি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।
তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছে এসেছিলেন। তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব করেছেন। তবে কত টাকা বাড়াতে চান সে দামের কোনো কথা উল্লেখ করা হয়নি। আমরা তাদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ করেছি।
‘রমজানের আগে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও বাড়লেও বাড়বে না। বিশ্ববাজারে যদি বাড়েও, ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করব সেটা সহ্য করার জন্য।’
আন্তর্জাতিক বাজারে রান্নার উপকরণটির দাম ক্রমেই বাড়ছে আর সমানতালে বাড়ছে দেশেও। সর্বশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৬৮ টাকা করা হয়। ২০ দিন যেতে না যেতেই দাম নতুন করে বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন তেল ব্যবসায়ীরা। ১ মার্চ থেকে বাড়তি দাম কার্যকরের ঘোষণাও দিয়েছিলেন তারা।
তবে দাম বাড়াতে হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে। আর বাণিজ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর কার্যত সেটি নাকচ হয়ে গেল।
