নজর২৪, ঢাকা- দুর্নীতিচেষ্টার অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংকের মুখ ফিরিয়ে নেয়া, রাজনৈতিক বাদানুবাদ, গুজব, সব ছাপিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে প্রমত্তা পদ্মার বুকে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। পৌষের ভোরে নির্মাণের শেষ প্রান্তে থাকা সেই স্বপ্নের সেতু ঘুরে দেখলেন সরকারপ্রধান।
মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত দিয়ে শুক্রবার ভোরে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দেন বঙ্গবন্ধুর বড় কন্যা।
প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরটি পদ্মা সেতু দিয়ে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত ঘুরে আবারও মাওয়ার দিকে ফিরে আসে। ফিরতি পথে গাড়ি থেকে নেমে সেতুর ওপর দাঁড়ান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ হাঁটাহাটি করেছেন।
এর আগে হেলিকপ্টার থেকে সেতুটি দেখার অভিজ্ঞতা থাকলেও এবারই প্রথম হেঁটে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের গণমাধ্যকে জানান, প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেতু এলাকায় পৌঁছান। এ সময় ছোট বোন শেখ রেহানাও তার সঙ্গে ছিলেন।
গাড়ি থেকে নেমে প্রধানমন্ত্রী শেখ রেহানাকে নিয়ে পদ্মা সেতুর ৭ নম্বর পিলার থেকে ১৮ নম্বর পিলার পর্যন্ত ১৬৫০ মিটার পথ হাঁটেন। এরপর আবার গাড়িতে উঠে সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে রাজধানীর উদ্দেশে রওনা হন।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী গাড়ি নিয়ে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে সেতুতে ওঠেন। সাড়ে ৮টার দিকে সেতুর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে নামেন। জাজিরা প্রান্তে সেতুর সার্ভিস এরিয়া দুইয়ে বোনকে নিয়ে সকালের নাস্তা করেন। পরে আবার সেতু পার হয়ে ফিরে আসেন সড়ক পথে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন। ২০১৮ সালে ১৪ অক্টোবর সেতুর রেল সংযোগ উদ্বোধন এবং সেতু পরিদর্শন করেন। এ ছাড়াও হেলিকপ্টারে করে সেতু প্রত্যক্ষ করেছেন বেশ কয়েকবার।
