বাংলাদেশের মানুষ অনেক সম্মান করে : কৌশানি

বিনোদন ডেস্ক- ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জি। ২০১৫ সালে ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’ সিনেমার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন তিনি। এরপর সেখানকার বেশ কিছু আলোচিত সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।

 

টালিউডের গণ্ডি পেরিয়ে কৌশানি নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের সিনেমাতেও। এখানে তিনি ‘প্রিয়া রে’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করছেন। গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে চাঁদপুরে সিনেমাটির প্রথম লটের শুটিং করে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তখন তিনি এখানকার মানুষ ও ইলিশের প্রশংসা করেছিলেন।

 

‘প্রিয়া রে’ সিনেমার শুটিং শেষ করার জন্য বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) পুনরায় বাংলাদেশে এসেছেন কৌশানি। আসার আগে তিনি কলকাতার একটি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি তার ব্যক্তিজীবন, রাজনীতি ও বাংলাদেশে আসা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন।

 

কৌশানি বলেন, “বাংলাদেশে কাজ করার অনেক দিনের ইচ্ছে। কারণ ওখানে এত এত ভক্ত। তারা এত সম্মান করে। তো অবশেষে এ বছর সেখানে কাজের সুযোগটা হয়। দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় দুটি সিনেমা করেছি। আবার পুরোপুরি ওখানকার (বাংলাদেশ) একটি সিনেমাও করছি। যেটার নাম ‘প্রিয়া রে’। সেটার শুটিং শেষ করার জন্য ১৮ নভেম্বর যাচ্ছি। শুটিং শেষ করে এ মাসেই ফিরে আসব।”

 

পূজন মজুমদার পরিচালিত ‘প্রিয়া রে’ নামের ছবিটিতে কৌশানির নায়ক শান্ত খান। শুটিং শুরুর পর থেকেই চরিত্রের প্রয়োজনে নিজের গ্ল্যামার লুক থেকে বের হয়ে রাখাল চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে গোসল না করে থাকতে হয় তাকে। প্রথম লটের শুটিংয়ে চরিত্রের প্রয়োজনে ১৩ গোসল না করে থাকতে হয়েছে এই তরুণ নায়ককে। দ্বিতীয় লটের শুটিংয়েও তাকে গোসল না করে টানা সাত দিন শুটিং করতে হবে বলে বৃহস্পতিবার জানান শান্ত।

 

সিনেমাটির পরিচালক পূজন মজুমদার জানিয়েছেন, গেল অক্টোবরে সিনেমাটির প্রথম লটে মারামারি আর সংগ্রামের দৃশ্যগুলোর শুটিং করেছেন। এ লটে কৌশানির সঙ্গে শান্তর রোমান্সের অংশের শুটিং হবে।

 

জানা যায়, আসছে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ‘প্রিয়া রে’ সিনেমার শুটিং শেষ হবে। চাঁদপুরের পর সিনেমাটির গানের শুটিং হবে রাঙামাটির সাজেকের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে।

 

সিনেমাটিতে শান্তকে দেখা যাবে নূরু নামের রাখালের চরিত্রে। আর কৌশানি অভিনয় করছেন চেয়ারম্যানের মেয়ে চরিত্রে। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখার্জিও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *