বিনোদন ডেস্ক- দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম সংসার ভেঙে দ্বিতীয় পরিণতিতে উভয়ই চেষ্টা করছেন নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার। অতীতের ফেলে আসা অন্ধকার সময়গুলো ভুলতে চাইছেন তারা। কিন্তু সেই পথেও আসছে বাধা। সমালোচনার তীর এসে বিদ্ধ করছে তাদের।
সমালোচকরা শুধু বাইরের দৃশ্যই দেখেন, কিন্তু সব দৃশ্যের পেছনে যে আরও একটি অদৃশ্য সত্য থাকে তা দেখেন না কেউই। জীবনের এমনই কঠিন ব্যাখ্যা দিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির দ্বিতীয় বর গাজীপুরের তরুণ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রাকিব।
মাহির সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে এবং বর্তমান সময়ে তাদের বিশেষ মুহুর্তগুলো দেখে অনেকেই সমালোচনা করে বাজে মন্তব্য করেন। যা রাকিবকে আহত করে। এবার সেই সব মন্তব্যকারীদের কঠিন জবাব দিলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাকিব লিখেছেন, ‘পূর্বের সংসারে দীর্ঘ সময় পূর্ব থেকে ভংগুর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য আমার পক্ষের প্রচেষ্টা কেউ দেখতে পায়নি, আমার প্রতিদিনের সকালের শুরুটাও কেউ দেখেনি। আর সারা দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম শেষে গভীর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার দৃশ্যটাও কেউ দেখেনি, সবকিছু সবাই দেখতে পায় না। এমনকি আমরা ইচ্ছা করেও সবকিছু প্রকাশ্যে আনিনা সমাজের লোকেদের মন্তব্যের ভয়ে।’
সন্তানদের প্রসঙ্গে টেনে রাকিব বলেন, ‘আমার সন্তানদের নিয়ে অনেকের মায়া দেখে আমি আপ্লুত। কিন্তু আমার চেয়ে বেশি নিশ্চয়ই কারো পোঁড়ে না! আমি বেঁচে থাকলে ওদের জন্য কিছু করতে পারবো আর না বেঁচে থাকলে আপনাদের দু’দিনের আফসোস ওদের কোনো উপকারে আসবেনা আমি জানি।’
মাহিকে বিয়ে করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বেঁচে থাকার জন্য সবাই সংগ্রাম করে আর আমিও ব্যতিক্রম নই। সুতরাং যারা সবার বেলায় মনগড়া মন্তব্য করেন তারা আমার স্থানে নিজেকে বসিয়ে একবার চিন্তা করবেন আশা রাখি… দ্বিতীয় বিবাহ জগতে এইটাই প্রথম না। আমরা কিন্তু পরকীয়া করিনি আলোচনা করে আবদ্ধ হয়েছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহি। আর চলতি বছরের ২২ মে পাঁচ বছরের বিবাহিত সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন এই অভিনেত্রী। এরপরই রাকিবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিবকে বিয়ে করেন মাহি। আর রাতেই ‘সারপ্রাইজ’ হিসেবে ফেসবুকে দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন এই চিত্রনায়িকা।
