প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে যা বললেন ইকবাল

নজর২৪ ডেস্ক- প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লার নানুয়াদিঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার কথা স্বীকার করেছেন ইকবাল হোসেন।

 

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকালে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জিজ্ঞাসাবাদের সময় এ কথা স্বীকার করেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা।

 

তিনি বলেন, ‘মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখার পর হনুমানের মূর্তি থেকে গদা সরিয়ে নেওয়ার কথাও পুলিশকে জানিয়েছেন ইকবাল। তবে কার নির্দেশে এই কাজ করেছেন, তা এখনও জানাননি।’

 

পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেফতারের পর থেকেই ইকবাল অসংলগ্ন আচরণ করছেন।

 

জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে নেওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে ইকবালকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও তাকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভীর আহমেদ জানান, ইকবালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ না করা পর্যন্ত কোনো বিষয়ে আমরা কথা বলতে পারব না। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে সব বিষয়ে আপনাদের জানানো হবে।

 

কুমিল্লা জেলা পুলিশের ডিআইও মনির আহমেদ জানান, সব তদন্ত সংস্থা ইকবালকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হবে, তারপর আদালতে তোলা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ করতে শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল পর্যন্তও সময় লাগতে পারে।

 

আটক ইকবাল কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর এলাকার মাছ বিক্রেতা নূর আলমের ছেলে।

 

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে আটক করা হয়। কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে কুমিল্লায় আনা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *