নজর২৪ ডেস্ক- ই-কমার্স ব্যবসার নামে প্রতারণার অভিযোগে কিউকমের হেড অব সেলস (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন অফিসার) হুমায়ুন কবির নিরব ওরফে আরজে নিরবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের পর তার পক্ষে ফেসবুকে পোষ্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সমাজকর্মী প্রীতম আহমেদ।
তিনি লিখেন, Q Com এ চাকরি করার অপরাধে ঐ প্রতিষ্ঠানে হেড অফ সেলস হিসেবে কর্মরত আর জে নিরব সহ ঐ কোম্পানির একাধিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন আব্দুল্লাহ খান শৈশব নামের একলোক। কোন প্রতিষ্ঠান প্রতারণামুলক ব্যবসা করলে লাভবান হয় মালিক, তাতে কর্মচারীর কি দোষ ? সেতো ঐ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন; ঠিক যেভাবে আরিফ আর হোসেন ইভ্যালির হেড অফ মার্কেটিং ও অন্যান্য তারকারা কোম্পানির প্রচারের জন্য বিভিন্ন পদে বেতনভুক্ত হিসেবে চাকরি করেছেন। তাদের কাউকে পুলিশ ডেকেছে বলে তো শুনিনি।
মিডিয়ার যারা কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে ক্যাম্পেইন করেন তাদের কিছু নীতিগত দায়বদ্ধতা থাকে। নীরবেরও সেই দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতেই পারে সে ঐ বিষয়ে কিছু জানে কি না। অন্যান্য তারকাদের কিন্তু সেটাও করা হয়নি। নিরবকে সরাসরি গ্রেফতার কেন? মামলায় মিডিয়ার লোকজন থাকলে সেই মামলার নিউজ বাড়ে তাই? কেনই বা একজন চাকুরীজীবীর স্ত্রী সন্তানকে মানসিক সংকটে ফেলা হচ্ছে?
ছাগল যখন ঘাস খায় তখন কোনটা ঘাস আর কোনটা ফুলগাছ সেটা বুঝতে পারেনা। এই মামলার বাদীও অভিযোগ লিখতে গিয়ে কে মালিক আর কে কর্মচারী গুলিয়ে ফেলেছেন। আর এসবের ফাঁকফোকর দিয়েই আসল অপরাধীরা চম্পট দেয়।
গত ৮ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে আরজে নিরবকে গ্রেপ্তার করা হয়।পণ্য সরবরাহ না করে ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৯ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে আব্দুল্লাহ খান শৈশব নামে এক শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় কিউকমের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা (সিইও) রিপন মিয়া, তার স্ত্রী সৈয়দা তাসমিনা তারিন, আরজে নিরবসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
গত রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মোরশেদ আল মামুন ভুইয়া নিরবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ৮ অক্টোবর এই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
গত ৩ অক্টোবর কিউকমের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা (সিইও) রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। প%
