নজর২৪ ডেস্ক- ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনির ক্যারিয়ার নষ্ট করতে প্রতিহিংসার বশে তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। তার অপরাধ খুবই সামান্য। তিনি চক্রান্তের শিকার।
বৃহস্পতিবার (৫ আগষ্ট) পরীমনিরসহ চার আসামির রিমান্ড শুনানিতে পরীমনির পক্ষের আইনজীবী আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী এমন দাবি করেন।
এদিন চিত্রনায়িকা পরীমণি ও রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা পৃথক দুই মামলায় চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদের আদালত রাতে শুনানি শেষে এই রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলাগুলোর অপর দুই আসামি হলেন- আশরাফুল ইসলাম দিপু ও সবুজ আলী।
এর আগে, বনানাী থানার পুলিশ চার আসামিকে আদালতে হাজির করে পৃথক দুই মামলায় সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। প্রথমে পরীমনি ও তার সহযোগী দিপুর মাদক মামলায় রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানির শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষের ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউট আব্দুল্লাহ আবু বলেন, ‘পরীমনির বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। ভয়ংকর এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। কেন তার বাড়িতে এত মাদক ছিল? এগুলোর মূলে কে রয়েছে, সে বিষয়ে তদন্তের প্রয়োজন। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এই মাদকের পরিণতি হয় সর্বনাশা। আসামিদের মত মুখোশধারীদের অপকর্মে সমাজ কলুষিত হচ্ছে। এজন্য আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করছি।’
এরপর পরীমনির পক্ষে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বলেন, ‘পরীমনি একজন স্বনামধন্য চিত্রনায়িকা। সবাই তাকে চেনেন। তাকে যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তা দুঃখজনক। সাজানো ঘটনায় তাকে গেফতার করা হয়েছে। ক্যারিয়ার নষ্ট করতে এ মামলা। প্রতিহিংসার বশে মামলাগুলোর দায়ের করা হয়েছে। তার অপরাধ খুবই সামান্য। তিনি চক্রান্তের শিকার। তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন প্রার্থনা করছি।’
আসামিদের প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ডে পেতে আবেদন করেন মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানা। এর বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। আদালত তা নাকচ করে আসামিদের প্রত্যেককে চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।
রিমান্ড শুনানি শেষে আসামিদের ডিবির কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
