নজর২৪, ঢাকা- স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সারাদেশে তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেফতার হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের ‘মানবিক বিবেচনায়’ মুক্তি দাবি করেছেন সংগঠনটির আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী।
গ্রেফতার হওয়া শীর্ষ নেতাদের অনেকেই হেফাজতে ইসলামের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাননি। তবে তাদের ‘হেফাজতের নেতাকর্মী’ হিসেবেই উল্লেখ করেছেন বাবুনগরী।
রোববার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদরিসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আমীর জুনায়েদ বাবুনগরীর এ দাবির কথা বলা হয়েছে।
জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ‘নবী-রাসূলদের উত্তরসূরী ওলামাদের বিনা অপরাধে জেলখানায় আটকে রাখা অত্যন্ত দুঃখজনক। জেলখানায় আবদ্ধ রেখে কষ্ট দিলে তাদের বদদোআয় আল্লাহর গজব আসতে পারে।’
দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামসহ গ্রেপ্তার হেফাজতের সব নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে তিনি বলেন, ’গ্রেপ্তার ওলামায়ে কেরামের মধ্যে অনেকেই বয়োবৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে অসুস্থ। জেলেখানার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীবসহ অনেক ওলামায়ে কেরাম অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে খবর পেয়েছি৷ মানবিক বিবেচনায় গ্রেপ্তার সব নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে কওমি মাদ্রাসা খুলে দিন।’
হেফাজতের আমির বলেন, ‘আমি নিজে অসুস্থ। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগসহ উচ্চতর ডায়াবেটিসে ভুগছি। তিন বেলায় দৈনিক আমার অর্ধশত ট্যাবলেট এবং ইনসুলিন নিতে হয়। খাদেমদের সহযোগিতা ছাড়া একা চলাফেরা করতে পারি না। আমার ব্যক্তিগত খাদেম (সেবক) মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকীকেও সম্পূর্ণ বিনা দোষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জেলে আটক থাকায় ওষুধ সেবনসহ নানা কাজে আমি কষ্ট পাচ্ছি। শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের সাথে এনামুলের মুক্তি চাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ওলামায়ে কেরামের সাথে সর্বস্তরের মানুষের আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। সমাজের সবার কাছে শ্রদ্ধারপাত্র ওলামায়ে কেরাম। তারা জেলে আটক থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এ ক্ষোভের বিস্ফোরণ হলে এর দায় সরকারের ওপরই বর্তাবে।’
