মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্ধা ইউনিয়নের দীর্ঘদিন যাবত বিনা চিকিৎসায় থাকার কারণে গোল বানু (২৫) এখন মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে শিকলে বন্দি রয়েছেন। অভাব-অনটনে চিকিৎসা করাতে পারছেন না গোল বানুর স্বামী ও স্বজনরা।
ফলে প্রতিবন্ধী গোল বানুসহ ৩ সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন স্বামী শহিদুল। শহিদুলের তিন সন্তান তারমধ্যে ২ জন মেয়ে ১ জন ছেলে। শহিদুলের বড় মেয়েটিও প্রতিবন্ধী সে বিছানায় শুয়ে থাকা কথাবার্তা বলতে পারে না।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউয়িনের চেংগুরীয়া কালিবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল। শহিদুলের স্ত্রী গোল বানু গত তিন মাস যাবত ভারসাম্যহীন আচরণ করতে শুরু করেছেন।
গোলবানুর স্বামী শহিদুল জানান, ১ ছেলে, ২ মেয়েকে নিয়ে তাদের ৫ সদস্যের পরিবার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম তিনি। শহিদুলের একার আয় দিয়ে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে সংসারে অভাব অনাটন লেগেই আছে। ফলে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেনা সে। শহিদুলের একটি থাকার ঘর ছাড়া আর কোন জায়গা জমি নেই। সে নিজেও অসুস্থ। মাঝে মধ্যে শরীর ভালো থাকলে দিন মজুরের কাজ করে চাউল ডাউল কিনেন তিনি।
শহিদুল জানান, তার সন্তান ও স্ত্রীর নামে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড চেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে দীর্ঘদিন থেকে অনেক আবেদন নিবেদন করেছেন। কিন্তু তাদের ভাগ্যে কোনো সাহায্য-সহযোগিতা বা প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড জোটেনি।
এব্যাপারে মালিঝিকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম তোতা কিছু জানেন না বলে নজর২৪ কে জানিয়েছেন।
