আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ইহুদিবাদী ইসরাইলের ৬টি বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলার দাবি করেছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে কাসসাম ব্রিগেড। খবর-টাইমস অব ইসরাইলের।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাতসুর, হাতসারিম, নিফাতিম, তেল নুফ, বিলমাখিম ও র্যামন ঘাঁটিতে এসব হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা বলছে, একটি রকেট বিমানবন্দরের বাইয়ে খোলা জায়গায় বিস্ফোরণ হয়েছে।
এর আগে, ফিলিস্তিনের গাজায় হামাস কমান্ডারদের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েল। বলা হয়, হামাসের সামরিক প্রধান মোহাম্মদ দাইফকে হত্যা করতে বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ সমন্বয় সংস্থার মুখপাত্র জেনস লার্ক জানিয়েছেন, গাজায় জাতিসংঘ পরিচালিত ৫৮টি স্কুলে প্রায় ৪৭ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। ১৩২টি ভবন পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং ৩১৬টি ভবনের ক্ষতির মাত্রা অনেক বেশি। এসব ভবনের মধ্যে ছয়টি হাসপাতাল ও ৯টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে।
এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৬৪ জন শিশুসহ নিহত হয়েছেন ২২৭ জন ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। অপরদিকে হামাসের হামলায় ১২ ইসরাইলি নিহত হয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, সংঘর্ষ ও হামলার দশম দিনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আলোচনায় নেতানিয়াহুকে বাইডেন বলেছেন, অস্ত্রবিরতি কার্যকর করতে উভয়পক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেতে দেখতে চান তিনি।
অবশ্য, বাইডেনের সঙ্গে ফোনালাপের পর নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত’ গাজায় হামলা চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর তিনি। এছাড়া হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে কার্যকর অস্ত্রবিরতি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক বিভিন্ন উদ্যোগও কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।
