Home আলোচিত রিমান্ড শেষে আদালতে জবানবন্দিতে যা বললেন আবু বক্কার ও নাহিদ

রিমান্ড শেষে আদালতে জবানবন্দিতে যা বললেন আবু বক্কার ও নাহিদ

0
126

নজর২৪ ডেস্ক- পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর মামলার দুই আসামি মাদ্রাসাছাত্র আবু বক্কর ও নাহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

 

মামুনুল হক ও ফায়জুল ইসলামের বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের সিদ্ধান্ত নেয় বলে তারা আদালতকে জানিয়েছে।

 

রোববার কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক দেলোয়ার হোসেনের আদালতে তারা জবানবন্দি দেয়। এর আগে রোববার দুপুর ২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় পুলিশ তাদের আদালতে নেয়। জবানবন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

 

জবানবন্দিতে যা বলেছেন আবু বক্কার ও নাহিদ-

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বয়ান তাদের ভালো লাগে। সম্প্রতি দেশে মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে নানা বয়ান হয়। গত বৃহস্পতিবার তারা শহরের কেনাকাটা করতে এসে দেখে পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বানানো হচ্ছে।

 

পরদিন জুমার নামাজে একটি মসজিদে বয়ানে তারা শুনতে পায় ভাস্কর্য ও মূর্তি ইসলামে হারাম। এরপর তারা দু’জনে সিদ্ধান্ত নেয় পাঁচ রাস্তার মোড়ে ভাস্কর্য ভেঙে ফেলবে।

 

ওই দিন রাত ১২টার দিকে দুই রাকাত নামাজ শেষে মাদ্রাসা মিস্ত্রিদের রেখে যাওয়া দুটি হাতুড়ি নিয়ে রওনা হয়। রাস্তায় পুলিশের গাড়ি দেখে তারা মূল সড়ক দিয়ে না এসে ভেতরের সড়ক হয়ে মজমপুর গেটে এসে রেল লাইন ধরে হেটে থানামোড় হয়ে পাঁচ রাস্তার মোড়ে আসে।

 

সেখানে মই বেয়ে উপরে উঠে ৭ থেকে ৮ মিনিটের বেশি সময় ধরে ভাস্কর্যের কিছু অংশ ভেঙে চলে যায়। মাদ্রাসায় ফেরার পর আবদুল্লাহ নামের এক ছাত্র দেখে ফেলে। তার মাধ্যমে সকলে জেনে যায়। পরে শিক্ষকদের পরামর্শে তারা বাড়ি চলে যায়।

 

গত ৪ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৫ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় দুই শিক্ষক ও দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত শনিবার অপর আসামি দুই মাদ্রাসাশিক্ষক আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here