আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ বুধবার। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জেন্ডার বৈষম্য করবে নিরসন’। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন সংগঠন।
সোশাল হ্যান্ডেলে বয়ে যাচ্ছে নানান আলাপ। এই দিনটিকে একজন নারী তারকা ঠিক কোন দৃষ্টিতে বিবেচনা করেন। তিনি যদি সিঙ্গেল মাদার হন, তাহলে তো তার অভিজ্ঞতা শোনা আরও জরুরি। মূলত এসব ভাবনা থেকেই নারী দিবসে সংবাদমাধ্যম কথা বলে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে-
নারী দিবস নিয়ে তিনি বলেন, এই দিনটিকে আমরা উদযাপন করি। একজন এক রকমের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই দিনটিকে পালন করে। অনেকে আবার ইগনোরও করেন। সেটাও তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। হুম, মোটাদাগে আমি ও আমরা সাধারণত এই দিবসটা উদযাপন করি নারী স্বাধীনতা আর অধিকারের গল্পগুলোকে সামনে তুলে ধরার জন্য। এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না, এখনও গোটা পৃথিবীই পুরুষতান্ত্রিক। সেটার প্রভাব কোথাও কম, কোথাও বেশি।
এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে আরও একটি দিক উন্মোচিত হয় আমাদের সামনে। সেটা হলো স্মরণ ও সম্মান প্রদর্শন করা। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন অসংখ্য নারী বা পুরুষ রয়েছেন, যারা নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য লিখেছেন, আন্দোলন করেছেন, জীবন দিয়েছেন। সেই মানুষগুলোকেও এই দিনটির মাধ্যমে সম্মান জানানো হয়।
সিঙ্গেল মাদার
ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। সিঙ্গেল মাদার হওয়ার পর সামাজিক প্রেসারের চেয়ে আমার টেনশন ছিল নিজের সঙ্গে নিজের যুদ্ধটা নিয়ে। মানে আমি যে ডিভোর্সড, সেটা বলবো কীভাবে- এই দুশ্চিন্তায় আমি মরে গিয়েছিলাম। তিন বছর আমি ডিভোর্সের বিষয়টি কাউকে বলতেই পারিনি। কারণ, আমার মনে হয়েছে এই তথ্যটি প্রকাশ করলেই আমার সন্তানের ওপর বাজে প্রভাব পড়বে। মিডিয়ায় নিউজ হবে। পাড়া-প্রতিবেশী কী বলবে? তাছাড়া ওই সময়টাতে আমি অনেক ভীতু ছিলাম!
যখন ভাবলাম একটা অ্যাবিউসড রিলেশনের চেয়ে একা থাকা ভালো, সেটা সবাইকে জানিয়ে দেওয়াটা আরও ভালো- তখনই আসলে আমি ওপেন করি বিষয়টা। তখনই আসলে মুক্ত হই। নিজেকে হালকা অনুভব করি।
