‘নিজের হিরো’র বুকে মাথা রেখে হোলি খেললেন শ্রাবন্তী

পর্দার মতো বাস্তব জীবনেও বড্ড রঙিন মানুষ ওপার বাংলার লাস্যময়ী নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত জীবনে বারবার প্রেমে পড়েছেন এবং প্রেম বদলেছেন এই নায়িকা। তবে বদলায়নি তার হিরো। ছোট্টবেলার হিরো আজও তার হিরোই আছে। প্রেমিক বা স্বামী না থাকায় এবারের হোলিতে মাতলেন সেই হিরোর সঙ্গে।

বেশি চর্চিত হওয়ায় বর্তমানে ব্যক্তিগত জীবনের খবর ফাঁস করেন না শ্রাবন্তী। কিন্তু হোলি খেলার ছবি ঠিকই শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি শ্রাবন্তীর একটি ছবিতে চোখ আটকেছে নেটিজেনদের।

এক ব্যক্তির বুকে মাথা রেখে সেলফি তুলেছেন তিনি। দুজনেই আবিরে মাখামাখি। কে এই ব্যক্তি, তার উত্তর মিলেছে অভিনেত্রীর পোস্টের ক্যাপশনেই। শ্রাবন্তী লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন আমার হিরো। ভালবাসি বাবা’।

হ্যাঁ, দোলের দিনে বাবার সঙ্গে রঙ খেলেছেন অভিনেত্রী। ‘হ্যাপি হোলি’ লেখা সাদা টিশার্ট পরেছেন দুজনেই। চোখে রোদচশমা। সারা মুখে গায়ে গোলাপি, নীল, বেগুনি হরেক রঙ শ্রাবন্তীর। হাসিমুখে পোজ দিয়ে সবাইকে দোলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

বাবার আদরের মেয়ে গিন্টু ওরফে শ্রাবন্তী। কিন্তু এক সময়ে তার উপরে অভিমান করে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন বাবা মা। মেয়ের জীবনের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ক‍্যামেরার সামনেই মুখ খুলেছিলেন তার বাবা মা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের প্রেমে পড়ে তাকে বিয়ে করে বসেছিলেন শ্রাবন্তী।

অভিনেত্রীর বিয়ের কথা সরাসরি না বললেও ওই ঘটনার জন্য শ্রাবন্তীকে কী শাস্তি দিয়েছিলেন সেকথা জানিয়েছিলেন তারা। অভিনেত্রীর বাবা মা বলেছিলেন, মেয়ের সঙ্গে কথা বলাই বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ওটাই তার জন্য সবথেকে বড় শাস্তি ছিল।

উল্লেখ্য, বছরজুড়েই আলোচনায় থাকেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত কারণে অধিকবার খবরের শিরোনাম হন এই নায়িকা। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পড়শির সঙ্গে ঝগড়া করে পুত্র অভিমন্যুকে নিয়ে থানা পর্যন্ত যেতে হয় তাকে। এ নিয়েও আলোচনা কম হয়নি।

তৃতীয় স্বামী রোশান সিংয়ের সঙ্গে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েবিচ্ছেদ হয়নি শ্রাবন্তীর। তবে দীর্ঘ দিন ধরে আলাদা থাকছেন তারা। মাঝে ব্যবসায়ী বন্ধু অভিরূপ চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। কিন্তু এ সম্পর্ক ভেঙে গেছে বলে শোনা যাচ্ছে। বর্তমানে ফিটনেস ট্রেইনারের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন বলে জোর গুঞ্জন উড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *