রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ চলছে। এরই মধ্যে কানায় কানায় পূর্ণ নগরীর মাদ্রাসার মাঠ। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধারণ মানুষের চাপ পড়েছে সমাবেশস্থলের চারপাশে। খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসছেন নেতাকর্মীরা। মাঠে জায়গা না পেয়ে ঈদগাহ মাঠে জড়ো হয়েছেন তারা। অনেকেই নগরীর বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নিয়েছেন।
কয়েকদিন আগে থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে অবস্থান নিলেও আজ সকাল থেকে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। শহরের প্রতিটি অলিগলিতে বিভিন্ন স্লোগন দিয়ে মিছিল করছেন তারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিছিলে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
এদিকে পোষ্টার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে সমাশেস্থল। সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের পোষ্টার দেখা গেছে।
এর আগে আজ সকাল ১০ টা ৩৭ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। পরে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সংগীত পরিবেশন শুরু হয়। তবে সমাবেশের মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে দুপুর ১২টা দিকে।
সমাবেশ প্রস্তুতির মিডিয়া উপ-কমিটির আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন তপু বলেন, ‘ঢাকা থেকে জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতারা এসছেন। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে জাসাসের শিল্পীরা কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন।’
সমাবেশে আসা নেতাকর্মীরা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হুমকি-বাঁধা, লাঠি নিয়ে সড়কে অবস্থান ও যানবাহন থেকে নামিয়ে দেওয়ার পরও রাজশাহীর গণসমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন তারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনাকীর্ণ হয়ে উঠছে সমাবেশস্থল। স্লোগান আর মিছিলে মিছিলে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
সমাবেশস্থলে আসা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বিএনপি কর্মী আজিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়ন থেকে প্রায় হাজার খানেক লোক এসেছে। মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশির কারণে আমরা পদ্মা নদী দিয়ে ট্রলারে করে গণসমাবেশে এসেছি। তারপরও পথে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে।’
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিজয় বশাক বলেন, ‘সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে দুপুর ২টা থেকে। তবে তারা এখনই শুরু করেছে। আমাদের অতিরিক্ত দেড় হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
