মধ্যরাতে পরীমণির স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণ অবশেষে জানা গেল

পরীমণির ফেসবুক পোস্টের পর সরগরম মিডিয়া পাড়া। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পাড়ায় এখন সবচেয়ে চর্চিত বিষয় পরীমণি-রাজ-মিম। গত বুধবার (৯ নভেম্বর) গভীর রাতে হুট করেই স্বামী শরিফুল রাজের সঙ্গে চিত্রনায়িকা মিমকে জড়িয়ে স্ট্যাটাস দেন পরীমণি। একই স্ট্যাটাসে রাজ-মিম জুটির পরাণ ও দামাল ছবির পরিচালক রাফিকেও ‘দালাল’ বলে আখ্যায়িত করেন। আর মিমকে বলেন নিজের স্বামী নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে।

ফেসবুকে পরীমণির এমন স্ট্যাটাস দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই মিম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কারও নাম উল্লেখ না করেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। এরপর পরীমণি আরেকটি স্ট্যাটাস দেন মিমকে নিয়ে। সেই স্ট্যাটাসে মিমের সঙ্গে তার কথাবার্তার স্ক্রিনশটও ফাঁস করেন।

কিন্তু কেন এমনটি করেছিলেন পরী? অজ্ঞাত এই কারণ জানতে মরিয়া তাদের ভক্তরা। অনেকে মনে করছেন মিমের সফলতা পরীমণি মেনে নিতে পারছেনা বলেই হিংসার বশবর্তী হয়ে পরী এমনটি করে থাকতে পারেন।

পরী যে ঈর্ষান্বিত হয়ে কাজটি করেননি, সেটা নিজের স্ট্যাটাসেই বুঝিয়েছেন। আর মিমও ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরীমণির নাম না উল্লেখ জানিয়েছিলেন কেউ ঈর্ষান্বিত হয়ে গুজব বা কুৎসা রটাচ্ছে তার নামে।

বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে রাইজিংবিডিতে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, গত ৯ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশানে কফি খেতে আসেন পরীমনি ও শরীফুল রাজ। একটি কফি শপে তারা বসেন। দুজনের চিরচেনা খুঁনসুটিতে সময় জমে ওঠে। এক পর্যায়ে বিদ্যা সিনহা মিমের জন্মদিনের প্রসঙ্গ চলে আসে। এরপরেই মুড পাল্টে যায় পরীমনির। হয়তো তিনি ব্যক্তিগত ওই সময়ে মিমের প্রসঙ্গ আলোচনায় আসুক তা চাননি। যে কারণে তিনি রেগে যান।

সেই সূত্রের মাধ্যমে আরো জানা যায়, এ সময় পরী যখন জানতে পারেন টি স্পোর্টসে ইন্টারভিউ দিতে রাজ-মিম একসঙ্গে গিয়েছিলেন, তখন তিনি মেজাজ হারান। রাজ এ সময় পরীমনিকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ নিয়ে রাজ-পরীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে পরীমনি রাজকে রেখে একাই বাসায় চলে যান।

সূত্রের দাবি, রাজ এ ঘটনায় অত্যন্ত ব্যথিত ছিলেন এবং তাকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় দেখাচ্ছিল। এরপরেই পরীমনি রাজ এবং মিমের সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়ে ফেসবুকে আলোচিত স্ট্যাটাসটি দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *