লজ্জা লাগলে জায়েদ খান বোরকা পরে আসুক: নিপুণ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচন হওয়ার পর থেকে আলোচনায় অভিনেতা জায়েদ খান ও অভিনেত্রী নিপুণ। চলতি বছরের শুরুতে জানুয়ারির ২৮ তারিখ এফডিসিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই দুই তারকা সাধারণ সম্পাদকের পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে অভিনেতা জায়েদ খান।

দুই বছর মেয়াদি এই নির্বাচনে অংশ নেয় দু’টি প্যানেল। একটিতে সভাপতি পদে ছিলেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে নায়িকা নিপুণ। অপরটিতে সভাপতি পদে ছিলেন মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান।

সভাপতির পদ নিয়ে কোনো অভিযোগ না উঠলেও সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী নিপুণ। এরপর পদটি নিয়ে দুই তারকার দ্বন্দ্ব এক পর্যায়ে আদালতে গড়ায়।

তবে এখন পর্যন্ত পদটির ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি আদালত। যে কারণে পদটি ঝুলে রয়েছে বলা যায়। সেই প্রেক্ষিতেই পৃথক সময়ে পাল্টাপাল্টি মন্তব্য করে থাকেন জায়েদ খান-নিপুণ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জায়েদ খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের পর সমিতিতে আগের মতো তাকে দেখা যায় না কেন? জবাবে গণমাধ্যমকে জায়েদ খান জানিয়েছিলেন, এফডিসিতে যেতে লজ্জা লাগে তার। কেননা, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের পদের ব্যাপারে আদালত থেকে কোনো রায় আসার আগেই চেয়ারে (সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার) বসছেন তিনি (নিপুণ)। এছাড়া সেই সময় অভিনেত্রীকে নির্লজ্জও বলেন জায়েদ খান।

এবার এ বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন নিপুণ আক্তার। এসময় অভিনেতা জায়েদ খানকে বোরকা পরে বিএফডিসিতে আসার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

নিপুণ বলেন, তার (জায়েদ খান) যদি এফডিসিতে আসতে খুব লজ্জা লাগে তাহলে বলব বোরকা পরে আসুক। তিনি আমাদের জানাক, আমি শুধু অনুষ্ঠান শেষ করেই চলে যাব।

এর আগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য ও সংগঠনের উন্নয়নের ব্যাপারে এই অভিনেত্রী বলেন, শিল্পীরা যে সুযোগ-সুবিধা পেত, চারজন স্টাফ রয়েছে। তাদের একটা বেতন রয়েছে। উন্নয়ন করতে বেশি কিছু লাগে না, মন থেকে করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, একটা সংগঠন যদি চালাতে হয় তাহলে সেখানে কি বসতে হয়? তিনি তো চার বছর ছিলেন। তিনি জানেন কোথায় কী হচ্ছে, কী লাগবে? কেউ তো তাকে আসতে না করেনি। সে তার মতো করে আসতে পারে। তিনি দেখলাম রোজার ঈদেও আসেনি। আবার প্রতি মাসেই মৃত্যুবার্ষিকী হচ্ছে, এতে তো একজন শিল্পী হিসেবে আসতে পারেন তিনি।

নিপুণ বলেন, আমি যখন নির্বাচনে ছিলাম না, তখন তো এফডিসিতে এসেছি। করোনার সময়ও এসেছি। তখন আমাকে নিশ্চয়ই কোনো সমিতি বলেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *