বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির টানা দুই বার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন জায়েদ খান। সে সময় নিয়মিত এফডিসিতে দেখা যেত তাকে। সর্বশেষ নির্বাচনে নিপুণের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে বিতর্কের পর থেকে এফডিসি থেকে দূরে আছেন এই নায়ক।
সাধারণ সম্পাদকের পদটি নিয়ে আদালতের আদেশকে সম্মান জানিয়ে রায়ের অপেক্ষায় আছেন জায়েদ খান। এখন তিনি তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত রাখছেন। সেসব ছবি প্রকাশ করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ধারণা করা হচ্ছে, জায়েদ খান আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন। মূলত সেই হোমওয়ার্কটাই সারছেন এখন। এই কারণে অনেকে ধারণা করছেন, হয়ত জায়েদ আর ঢাকায় ফিরবেন না। গ্রামেই স্থায়ী হবেন।
জানতে চাইলে একটি গণমাধ্যমকে জায়েদ খান বলেন, ‘আমি নির্বাচন করছি না। এসব গুজব। ২৭ দিন হলো বাড়িতে এসেছি। দুই একদিনের মধ্যে ঢাকায় ফিরবো। ডাবিং বাকি আছে ‘সোনার চর’-এর। সেটা করবো। নতুন সিনেমার খবরও জানাবো।
তিনি বলেন, আমি গ্রামে চলে এসেছি, এটা শুনে অনেকেই হয়তো খুশি হয়েছেন। তাদের বলছি, খুশির কারণ নেই। আমি আসছি। আর যারা আমার গ্রামের সামাজিক কর্মকাণ্ড দেখে নির্বাচনের ভয় পেয়েছেন, তাদেরও বলছি, ভয়ের কারণ নেই। ইলেকশন আমি করছি না। করলেও সেটা ঢাকঢোল পিটিয়ে করবো। নির্বাচন তো লুকানোর কিছু না।’
এই নায়ক-নেতা আরও বলেন, ‘অনেক দিন বাড়ি আসা হয় না। আমার ভাইরাও ব্যস্ত। তাই এবার এসে বাবা-মায়ের ঘর-বাড়িটা গুছালাম। উনাদের কবরস্থান ঠিক করলাম। আমার একটা সংগঠন আছে ‘সাপোর্ট মানবকল্যাণ সংস্থা’। ওদের নিয়েও কিছু সামাজিক ও মানবিক কাজ করলাম এলাকায়। কারণ, আবার কবে বাড়ি আসবো তার তো ঠিক নেই। ফলে আমার গ্রামে আসা নিয়ে এত দুশ্চিন্তার কারণ নেই।’
আগে নিয়মিত এফডিসিতে গেলেও কেন সেখানে যান না জানতে চাইলেন জায়েদ খান বলেন, সত্যি বলতে, এফডিসিতে এখন আর যাওয়ার পরিবেশ নেই। আমরা যে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করেছিলাম, সেটি এখন আর নেই। এখন সেখানে ইউটিউবারসহ অনেক বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ। পরিবেশটা একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে। কারা তাদের এখানে আসার সুযোগ দিয়েছে, এটা এখন সবাই জানে। ফলে এই পরিবেশটা ঠিক না হলে তো সেখানে যাওয়া মুশকিল।’
