এবার অপু বিশ্বাসকে নিয়ে নতুন গুঞ্জন

মাত্র কয়েকদিন আগেই খবর মিলেছে ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের দ্বিতীয় বিয়ের। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আরেক নায়িকা শবনম বুবলীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। সেই সংসারে জন্ম নিয়েছে একটি পুত্র সন্তানেরও। বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পরেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে যান অপু বিশ্বাস। কারণ, সকলেই জানতে চাচ্ছিলেন শাকিবের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তার প্রথম স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া।

তবে নিজের প্রাক্তন স্বামীর বিয়ে ও সন্তান নিয়ে কিছুই বলেননি অপু। পুজা উপলক্ষে গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতায় আছেন তিনি। পঞ্চমীর দিনই বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে যান অপু। কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়িতে লাল শাড়িতে অষ্টমীর অঞ্জলি দিয়েছিলেন। আর বিজয়াতে খুব করে সিঁদুরও খেললেন। আর সেই ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হল জল্পনা। কারণ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের সিঁথিতে সিঁদুর।

এদিকে শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে ৪ বছর আগেই। স্বভাবত অনেকের মনেই প্রশ্ন, তাহলে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় বিয়েটাও কি করেছেন লুকিয়ে লুকিয়ে?

অপু ঠাকুর বরণ করেন কলকাতার কাঁকুড়গাছি যুবকবৃন্দের প্যান্ডেলে। এরপর মিডিয়াকে জানিয়েছেন ছোটবেলা মার সঙ্গে বরণ করতে যেতেন তিনি। কিন্তু নিজে এই প্রথম দুর্গাকে বরণ করে নিয়েছেন। কিন্তু কার নামের সিঁদুর তার সিথিতে তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। লাল-সাদা একটা শাড়ি পরেছিলেন তিনি। সঙ্গে সবুজ রঙের ব্লাউজ।

অপুকে সিঁদুরে দেখে আব্দুর রাজ্জাক নামের একজন লিখেছেন, ‘আপনার তো স্বামী নেই আপনি মাথায় সিঁদুর দিচ্ছেন দিদি।’ উম্মে হাবিবা নুপুর নামে আরেকজন লেখেন, ‘অপু বিশ্বাস সিঁদুর পড়ছে কেনো। এই বিষয়টা আমার অবুঝ মাথায় ডুকছে না।’ ফাতেমা নামের আরেকজন জানতে চেয়ে লেখেন, ‘সিথিতে সিঁধুর কেন?’

যদিও এ বিষয়ে মুখ খুলেননি অপু। তবে ভক্তদের মুখ বন্ধ করানো যাচ্ছে না এই ছবিগুলো প্রকাশের পর। কারণ নায়ক-নায়িকাদের গোপনে বিয়ে ও তা লুকিয়ে রাখার ঘটনা তো আর নতুন কিছু নয়।

উল্লেখ্য, শাকিব খান ২০০৮ সালের এপ্রিলে তাঁর সর্বাধিক সিনেমার নায়িকা অপু বিশ্বাসকে গোপনে বিয়ে করেন। প্রায় ১০ বছর পর বাচ্চাসহ সেই খবর প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন অপু। আর তাতেই বেঁকে বসেন শাকিব, ২০১৮ সালে বিচ্ছেদ হয় এই তারকা দম্পতির। সাবেক এ যুগলের আব্রাম খান জয় নামে এক পুত্রসন্তান আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *