অভিনেতা আবির চৌধুরী। ২০১০ সালে শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’ এবং ২০১২ সালে আশরাফুর রহমান পরিচালিত ‘তুমি আসবে বলে’ দুটি সিনেমায় কাজ করেন তিনি। এরপর আর চলচ্চিত্রে দেখা যায়নি তাঁকে। এবার আসছেন ‘রাগী’ নামের একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। দেখা যাবে তাঁকে অ্যাকশন হিরো হিসেবে।
ইতিমধ্যে পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে। আবিরের লুক দেখে প্রযোজক সমিতির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু আবিরকে ভারতের দক্ষিণী সিনেমার নায়ক আল্লু আর্জুনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে খসরু বলেন, “ভারতের সাউথের ‘পুষ্পা’ সিনেমার নায়ক আল্লু আর্জুনের মতো লাগছে আবিরকে। আমি পোস্টার দেখে অবাক হয়ে গেছি, একদম আল্লু আর্জুন, আবির হলো আমাদের বাংলার আল্লু আর্জুন।”
শুটিং ক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে আবির চৌধুরী বলেন, “বন্ধু মিজানের (পরিচালক মিজানুর রহমান মিজান) জন্য ‘রাগী’ সিনেমায় যুক্ত হলাম। এ সিনেমার পরিকল্পনা শুরুর পর থেকেই সে আমাকে বেশ কয়েকবার বলেছে এর গল্পটা চমৎকার। আমার যে চরিত্র চিন্তা করেছে সেটিও চমৎকার। ”
তিনি আরো বলেন, ‘রাগীতে আমার চরিত্রের নাম রাজা। দুটি লুকে রাজাকে দেখতে পাবেন দর্শক। কিন্তু খুব দায়িত্বশীল হওয়ার পরও তার শেষ দিকের পরিণতি আসলে মেনে নেওয়ার মতো নয়। বাস্তবের আবির চৌধুরীর সঙ্গে রাজার চরিত্রের কোনো মিল খুঁজে পাবেন না দর্শক। ’
আবির চৌধুরী বলেন, আমাকে সবাই বাংলার আল্লু আর্জুন বলছে। হয়তো আমাকে তেমনটা লাগছে, কিন্তু আমরা সে রকম সিনেমা উপহার দিতে চাই, যা ভারতের সাউথের সিনেমাকে হার মানিয়ে দেবে। আমি মনে করি, আমাদের সেই সক্ষমতা রয়েছে। সে সময় আর দেরি নেই।
সিনেমার নায়িকা আঁচল আঁখি বলেন, “আমাদের দেশে নায়ক বলতে চকলেট বয়ের মতো হবে, এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত আছে। আবির চৌধুরী সেটাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। ‘রাগী’ সিনেমাটি দেখলে বুঝতে পারবেন। আমি দর্শকদের আহ্বান করবো প্রেক্ষাগৃহে এসে সিনেমাটি দেখতে।”
এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো খল চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রনায়িকা মুনমুনকে। তিনি বলেন, ‘নতুন লুকে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছি। এর আগে কখনো খল চরিত্রে অভিনয় করিনি। গল্পটা পড়ে ভালো লেগেছে তাই এ খল চরিত্রে অভিনয় করেছি। আশা করছি দর্শকের ভালো লাগবে।’
‘রাগী’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন শাকিল আহমেদ, মারুফ, আর এফ রোমিও, লায়ন, ব্রুসলি, তনু পান্ডে, তুহিন চৌধুরী, জিয়া তালুকদার, অন্তরা প্রমুখ।
জাকিরা খাতুন জয়া প্রযোজিত ‘রাগী’ সংগীত পরিচালনা করেছেন আহাম্মেদ হুমায়ুন। এতে গান করেছেন ইমরান, কনা, শাওন গানওয়ালা ও কর্ণিয়া। গানগুলো কোরিওগ্রাফার হিসেবে ছিলেন মাইকেল বাবু রতন।
