ঢাকাই চলচ্চিত্রের সফল ও প্রশংসিত জুটি শাকিব খান-অপু বিশ্বাস। পর্দার জুটি হিসেবে দর্শক মহলে জনপ্রিয় ছিল দুই তারকা। কিন্তু ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল একটি বেসরকারি টেলিভিশনে লাইভে এসে শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ের কথা প্রকাশ্যে আনেন অপু বিশ্বাস। সঙ্গে একমাত্র ছেলে আব্রাম খান জয়কেও নিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
অপু বিশ্বাস সেই সময় সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ২০০৮ সালে শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতায় একমাত্র ছেলের জন্ম হয়। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের খবর এভাবে প্রকাশ্যে আনায় বিপাকে পড়েন ঢালিউড ক্যুইন।
শাকিব খান ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর অপু বিশ্বাসকে তালাকের জন্য আবেদন করেন। পরে ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তালাক হয় এই তারকা দম্পতির।
এদিকে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের বছরই ঢাকাই সিনেমার আরেক অভিনেত্রী শবনম বুবলীকে বিয়ে করেন শাকিব খান। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই বিয়ে হয় শাকিব-বুবলীর। অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের চার মাস ২৮ দিন পর অর্থাৎ ১৪৮ দিন পরে বুবলীকে বিয়ে করেন ঢালিউড সুপারস্টার। আর বিয়ের ১৫৩৬ দিন পর সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন বুবলী।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শাকিব খানের সঙ্গে তোলা একাধিক ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে বুবলী জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের ২০ জুলাই তাদের বিয়ে হয়। যদিও বিয়ে কোথায় হয়েছে তা উল্লেখ করেননি নায়িকা। তবে গুঞ্জন আছে, এ জুটির বিয়ে হয়েছিল নারায়ণগঞ্জে।
বুবলীর ওই পোস্টে ২০২০ সালের ২১ মার্চ তার ছেলে শেহজাদ খান বীরের জন্মদিন উল্লেখ আছে। অবশ্য এই তারকা-পুত্রের জন্ম কবে হয়েছিল, তা আগেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। তার জন্ম যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে হয়েছিল, তাও প্রকাশ হয়েছে ইতোমধ্যে।
এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ করেন বুবলী। শুক্রবার নানা জল্পনা কল্পনাকে সত্যি প্রমাণ করে ছেলে শেহজাদ খান বীরের ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। একটি পোস্ট দিয়ে জানান, এই সন্তানের বাবা শাকিব খান। কিং খানও অন্য একটি পোস্টে স্ত্রী বুবলীর দাবিকে স্বীকৃতি দেন। জানান যে, বীর তার এবং বুবলীর সন্তান। এরপরও প্রশ্ন থেকে গিয়েছিল শাকিব খান বুবলীকে বিয়ে করেছিলেন তো? সোমবার সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিলেন নায়িকা নিজেই।
