ঢালিউডে এ প্রজন্মের আলোচিত শিল্পীদের অন্যতম প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এ অভিনেত্রী গত বছর নায়িকার কাতারে নাম লিখিয়েছেন। দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ছবিতে তাকে প্রথমবার নায়িকা হিসেবে দেখেছে দর্শক।
সেই দীঘি সম্প্রতি হাজির হয়েছেন ওয়েব প্ল্যাটফর্মেও। চরকি-তে মুক্তি পাওয়া সুমন ধর পরিচালিত ‘শেষ চিঠি’ ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। পেয়েছেন দর্শকের প্রশংসা।
আজ অভিনয়ে দীঘি যে পরিপূর্ণ, সেই পরিপূর্ণ দীঘিতে রূপান্তর করতেই তার মা দোয়েল স্বপ্ন দেখেছিলেন, ছোটবেলা থেকে তাকে অভিনয়ের সাথে সম্পৃক্ত করেছিলেন। কিন্তু দীঘি ছোট থাকতেই তার মা পরপারে চলে যান। এখন বাবা সুব্রতই দীঘির সব—তিনিই বাবা, তিনিই মা
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীঘি বেস্টফ্রেন্ড সম্পর্কে কথা বলেন। জানান, বাবা হচ্ছে তার বেস্টফ্রেন্ড। দিনে অন্তত এক ঘণ্টার জন্য হলেও বাবার সঙ্গে দেখা করা তার কাছে ওষুধের মতো।
দীঘি বলেন, বেস্টফ্রেন্ড আমার বাবা। তিনি সত্যিকার অর্থেই আমার বেস্টফ্রেন্ড। তার সঙ্গে কথা না বললে আমার ঘুম হয় না। দেখা যায় বের হওয়ার সময় বাবার সঙ্গে দেখা হয়েছে, বাসায় ফিরে যদি ঘুমানো অবস্থায় দেখি তাহলে সেদিন আর দেখা হবে না। আবার সকালে কোনো দেখা ছাড়াই বাবা শুটিংয়ে চলে যেতে পারে। রাতে একটু দেখা হতে পারে।
তিনি বলেন, বাবার সঙ্গে দিনে এক ঘণ্টা দেখা করাও আমার জন্য ওষুধের মতো। সার্বিকভাবে তিনি আমার বেস্টফ্রেন্ড।
এই অভিনেত্রী বলেন, বেশিরভাগ মেয়েই যেহেতু বাবাকে দেখে বড় হয়, বাবা যেহেতু বেশিরভাগ মেয়ের বেস্টফ্রেন্ড হয়; এ কারণে এটাই চাইবে তারা। আমি আমার বাবা বলে বলছি না, তিনি সত্যিকার অর্থেই ভালো মানুষ। তার মতো মানুষ আমি এখনো দ্বিতীয় একজন দেখিনি।
