ঢাকাই সিনেমার আলোচিত দম্পতি অনন্ত জলিল ও বর্ষা। দাম্পত্য জীবনের ১১ বছরে পা দিলেন তারা। ২০১১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন অনন্ত-বর্ষা। তাদের ঘর আলো করে ২০১৪ সালে আসে আরিজ ইবনে জলিল ও ২০১৭ সালে আবরার ইবনে জলিল।
বিবাহবার্ষিকীতে স্বামী-সন্তানসহ দুবাইয়ে আছেন বর্ষা। ২২ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন এ জুটি। দুবাই যাওয়ার খবরটি উড়ালের আগে জানিয়েছেন বর্ষা।
বিবাহবার্ষিকী উদ্যাপনের জন্য দুবাই? জানতে চাইলে বর্ষা বলেন, ঠিক তা না। আসলে দুবাইয়ের ভিসা নেয়া ছিল অনেক আগে। কিন্তু সময় সুযোগ করে উঠতে পারছিলাম না। মালয়েশিয়া থেকে ফিরেই প্ল্যান করলাম দুবাই যাওয়ার। আপাতত কয়েকদিন দুবাইয়ে সময় কাটাব। তারপর দেশে ফিরে অন্য পরিকল্পনা।
ঢাকাই সিনেমার সফল তারকা দম্পতিদের মধ্যে অনন্ত-বর্ষা অন্যতম। সংসার ভাঙার একাধিক গল্পে তারা উদাহরণ হয়ে আছেন লম্বা সময় ধরে।
দাম্পত্য জীবনের ১১ বছর প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বর্ষা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের বিবাহিত জীবনের এগারো বছর পূর্ণ হলো। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
বিবাহবার্ষিকীর এই দিনটিতে দুবাই থেকে দোয়া চেয়েছেন অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিবাহিত জীবনের এগারটি বছর পূর্ণ হয়ে গেলো। সকলের দোয়ায় আমরা ভালোই আছি আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
এর আগে সংবাদ মাধ্যমে বর্ষার সঙ্গে প্রেম আর বিয়ে নিয়ে অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমাদের বিয়ে হয়েছে ২০১১ সালে। তবে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয় ২০০৮ সালে। ’ স্ত্রী বর্ষার উদ্দেশ্যে অনন্ত জলিল বলেছেন, ‘ভালোবাসি তোমাকে। ভালোবাসি শেষ পর্যন্ত। ’ আর বর্ষা জানান, তিনিই প্রথম অনন্ত জলিলকে ভালোবাসার কথা বলেছিলেন।
বর্ষাকে বিয়ের পর নিজের অনেক কিছুই পাল্টে যায় অনন্ত জলিলের। বলেছেন, ‘অফিস থেকে এক সেকেন্ডের জন্য অন্য কোথাও যাই না। বর্ষার সঙ্গে যখন থেকে প্রেম শুরু করেছি, তখন থেকে অফিস থেকে সরাসরি ওর কাছে চলে আসি। একা কোথাও যাই না। দুজন দুজনের প্রতি দায়িত্বশীল। সামাজিকতা রক্ষার চেষ্টা করি। সবকিছু মিলেমিশে করি। এটাই আমাদের ভালোবাসার রসায়ন। ’
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে নিজের প্রযোজিত ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ সিনেমার মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে অনন্ত জলিলের। এরপর ‘হৃদয়ভাঙা ঢেউ’ (২০১১), ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ (২০১২), ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ (২০১৩) ও ‘মোস্ট ওয়েলকাম ২’ (২০১৪) ছবিতে তারা অভিনয় করেছেন।
এই জুটি ‘দিন: দ্য ডে’ সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছেন অনন্ত জলিল।
