বাংলা চলচ্চিত্রের সাদাকালো সময়ের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি। নিপুণ অভিনয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছিলেন বড় একটা সময় ধরে। এরপর চলচ্চিত্র নির্মাণে এসেও দেখিয়েছেন নৈপুণ্য। মুগ্ধতায় ভাসিয়েছেন দর্শক-সমালোচকদের। তিনি সুচন্দা। কোহিনুর আক্তার সুচন্দা।
সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘কাগজের নৌকা’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সালে রুপালি পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। সেই থেকে শুরু। এরই মধ্যে কেটে গেছে সাড়ে পাঁচ দশক। এ পথচলায় পেয়েছেন অনেক, দিয়েছেনও বটে।
তবে চলচ্চিত্রে তাঁর উপস্থিতি নেই দীর্ঘদিন ধরেই। বাসায় নামাজ-রোজা, বই পড়া, টিভি দেখা আর সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের নিয়ে কেটে যাচ্ছে দৈনন্দিন সময়। বর্তমানে গভীর উৎকণ্ঠায় কাটছে এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীন দিনকাল।
তাঁর কথায় চলচ্চিত্রের সব মুরব্বি একে একে না ফেরার দেশে চলে যাচ্ছেন। সর্বশেষ সম্প্রতি চলে গেলেন বরেণ্য গীতিকবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
তিনি বলেন, একটা সময় সবাইকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এটি চিরসত্য। কিন্তু সিনিয়রদের চলে যাওয়ার পর তাঁদের স্থান তো আর পূর্ণ হওয়ার নয়।
সুচন্দা বলেন, আমারও তো বয়স হয়েছে, শরীরটাও সবসময় ভালো থাকে না, আমিও এক দিন চলে যাব। কিন্তু চলচ্চিত্র জগতের কী হবে? মুরব্বিশূন্য এই জগতে নতুনদের দিকনির্দেশনা কে দেবে? এ উৎকণ্ঠায় ভুগছি আমি।
