১৯৮৬ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সম্পৃক্ত হন। ১৯৯০ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘চেতনা’। সিনেমাটি পরিচালনা করেন ছটকু আহমেদ। একক নায়ক হিসেবে তিনি প্রথম অভিনয় করেন মনোয়ার খোকনের ‘জ্যোতি’ চলচ্চিত্রে।
এরপর তিনি উপহার দিয়েছেন ‘প্রেমের সমাধি’, ‘শেষ ঠিকানা’, ‘জিদ্দী’, ‘বিদ্রোহী প্রেমিক’, ‘তুমি শুধু তুমি’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘রঙিন উজান ভাটি’, ‘ভালবাসার ঘর’র মতো জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্র। একটা সময় এসে তিনি খল-অভিনেতা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন। খল-অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। প্রযোজক হিসেবেও সফল। বলছি নায়ক থেকে খলনায়ক তকমা পাওয়া অমিত হাসানের কথা।
গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর ছিল এই অভিনেতার জন্মদিন। এদিন এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সেখানে নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ করেছেন অমিত হাসান।
তিনি বলেন, অনেক দর্শকপ্রিয় ছবি রয়েছে। সেই সিনেমাগুলো আমি নিজের মতো করে, জীবনের সেরাটা দিয়ে অভিনয় করেছি। কিন্তু অপ্রাপ্তি হচ্ছে প্রায় তিন, চার শ ছবি করে একটা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পাইনি।
অমিত বলেন, এত বছর ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে যাচ্ছি, কিন্তু জাতীয় স্বীকৃতি মেলেনি, এই না পাওয়াটা সত্যই অনেক কষ্টের, বেদনার। দর্শকের ভালোবাসার মাঝে যে সুখ আছে সেই সুখের মাঝেও প্রায়ই দুঃখ নড়েচড়ে ওঠে। এখনো অভিনয় করে যাচ্ছি যদি ভাগ্যে থাকে ভালো কাজ করি আশা রাখি সামনে জাতীয় পুরস্কার পাব।
দীর্ঘ ক্যারিয়ার পেছনে তাকালে কী মনে হয়? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন অভিনেতা। সেই জায়গাটায় আমি সফল। যখন নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছি তখনো চেষ্টা করেছি সেরাটা দেওয়ার। আবার ভিলেন হিসেবেও সর্বোচ্চটা দিয়েছি। তাই দর্শক আমাকে পছন্দও করেছে। আর দর্শকের ভালোবাসাই আমার চলার সঙ্গী।
