বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল গত জানুয়ারি মাসে। কিন্তু শেষ হয়েও যেন শেষ হচ্ছে না এ নির্বাচন। নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে জটিলতা পৌঁছে হাইকোর্টে। যা এখন পর্যন্ত সুরাহা হয়নি।
বর্তমানে উচ্চ আদালতের আদেশে এই পদে স্থিতাদেশ বহাল আছে। সুতরাং জায়েদ খান ও নিপুণ আক্তার— এই দুজনের কেউ সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে পারবে না।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী জায়েদ খান শিল্পী সমিতি থেকে দূরে আছেন। অপেক্ষায় আছেন চূড়ান্ত রায়ের। কিন্তু নিপুণ রায়ের জন্য অপেক্ষা না করে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসে পড়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে চলচ্চিত্রের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হচ্ছেন। এমনকি আগস্টে শিল্পীদের সদস্যপদের যে কার্ড দেওয়া হয়েছে তাতেও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন তিনি।
এর আগে গেল ফেব্রুয়ারিতে নিপুণের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেছিলেন জায়েদ। নির্দেশ দেওয়া হয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিপুণ কোনো মিটিং বা সমিতির নেতা হয়ে অংশ নিতে পারবেন না।
তবুও কেন দায়িত্ব পালন করছেন জানতে নিপুণের নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলেও রিসিভ করেননি।
আদালত অবমাননা করায় নিপুণের প্রতি ক্ষিপ্ত জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘আদালতের রায় নিপুণ অবশ্যই পেয়েছেন। তিনি জানেন পদটি স্থিতিশীল অবস্থায় থাকবে। সেখানে নিপুণ কীভাবে মিটিং করছেন আর কোন শক্তিতে তিনি আদালতের রায় আবমাননা করছেন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় আছি।’
কয়েকমাস আগে এফডিসিতে সাংবাদিকদের সামনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন জানিয়েছিলেন, সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইমন সাদিক পালন করবেন। কিন্তু সেই দায়িত্ব তিনি পালন করছেন না।
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনসহ নানা বিষয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন আইন মেনে চলার কথা বলেন। কিন্তু নিপুণের আইন অমান্য নিয়ে তিনি কিছু বলছেন না। বরং তাকে নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হচ্ছেন। তিনি কেন আইন অমান্যকারীকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘এটা নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন? যার ব্যাপার তাকে প্রশ্ন করুন। আমি এ নিয়ে কোনো কথা বলব না।’ ঢাকামেইল।।
