ইভ্যালি আবার চালুর বিষয়ে যা বললেন বিচারপতি মানিক

বিনিয়োগকারীরা নতুনভাবে বিনিয়োগ করলে অনলাইন ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-ইভ্যালি আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে জানিয়েছেন উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়া সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

তিনি বলেছেন, রাসেল এবং তার স্ত্রীর পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি আবেদন এসেছে, তারা নাকি আবার বিনিয়োগকারী আনতে পারবে। যদি সত্যি পারেন, তাহলে তো সুখবর। ইনভেস্টর আনলে কোম্পানি চলবে।

চটকদার বিজ্ঞাপন এবং নানান প্রলোভন দিয়ে কম সময়ে আলোচনায় এসেছিল ইভ্যালি। তবে লেনদেনে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয় সরকার। বিষয়টি তদন্তে হাইকোর্ট ইভ্যালি বোর্ড গঠন করেন। অডিট টিমের অনুসন্ধানে ইভ্যালির সম্পদ ও ব্যাংকে থাকা অর্থের তথ্য পাওয়া গেলেও এগুলো গ্রাহকের বিশাল চাহিদার বিপরীতে খুবই সামান্য।

তবে প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে চায় না বোর্ড। এরই মধ্যে বিনিয়োগকারী পাওয়া গেছে মর্মে হাইকোর্টের কাছে মুচলেকা দিয়েছেন ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী। হাইকোর্টে আবেদনে বলা হয়, আমরা বিনিয়োগকারী পেয়েছি। ফের নিজেদের ব্যবসা চালু করতে চাই।

এদিকে, প্রতিষ্ঠানের সিইও মোহাম্মদ রাসেল ইভ্যালির সার্ভারের পার্সওয়াড ভুলে গেছেন। ফলে কোনোভাবেই তা খোলা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে গ্রাহকদের পাওনা এবং সম্পদের তথ্যও পাচ্ছে না অডিট ফার্ম।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক জানান, ইভ্যালির সার্ভারটি হলো অ্যামাজনের। এর আগে আমরা বহুবার অ্যামাজনের কাছে দেনদরবার করেছি, সিঙ্গাপুর অফিসের সাথেও যোগাযোগ করেছি। কিন্তু তাদের একটিই কথা, পাসওয়ার্ড না থাকলে তারা খুলতেই পারবে না। পরে ইভ্যালির সিইওর রাসেল সাহেবের কাছে যাওয়া হলে তিনি জানান, পাসওয়ার্ড তার মনে নেই। আর পাসওয়ার্ড তিনি যে ডায়েরিতে লিখেছিলেন, সেটি এখন কোথায় আছে তাও তিনি জানেন না।

আরও পড়ুন