টিকটকে সবাই আমাকে ভালোবাসে, কিন্তু সময় দিতে পারছি না: দীঘি

সিনেপর্দায় প্রার্থনা ফারদিন দীঘি যতটা না জনপ্রিয়, তার চেয়ে ঢের জনপ্রিয় অন্তর্জালে। ফেসবুক, ইউটিউবের বাইরে টিকটকে আছে তাঁর বিশাল ভক্তকুল।

কিন্তু চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন, টিকটকের কারণে ইমেজ বা ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে এই চিত্রনায়িকার। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আলোচিত ‘পরাণ’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন দীঘি।

টিকটক করা প্রসঙ্গে প্রার্থনা ফারদিন দীঘির ভাষ্য, টিকটক আমি একা করি না। নায়িকাদের মধ্যে অনেকেই করে। আমি জানি না তাদের কেন এই প্রশ্ন করা হয় না। টিকটক করছেন দেখে আপনার ইমেজ খারাপ হতে পারে বা কথা হচ্ছে, কথাটা আমাকে নিয়ে বেশি হয়। সবসময় টিকটক করার সময় পাই না। হাতে এত অঢেল সময় থাকে না যে টিকটক করার জন্য রেডি হব। যখন আমরা ফ্রি থাকি, একটা কাজ করছি তখন ১৫ সেকেন্ড করা যায়।

টিকটক থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছেন জানিয়ে দীঘি বলেন, যারা আমাকে ফলো করে তারা জানে আমার হাতে আসলে ওই সময়টা নেই। পড়াশোনা, এসব কাজ নিয়ে আসলে সময় এতটাও পাওয়া যায় না। আমি যেহেতু জিনিসটা সময় দিতে পারছি না, জিনিসটা থেকে বের হয়ে আসছি।

তবে দীঘি জানিয়েছেন টিকটকে সবাই তাকে ভালোবাসেন। স্বীকার করেছেন এই অ্যাপের জন্য ফলোয়ারও বেড়েছে তার। দীঘি বলছিলেন, ‘টিকটকে আমার জনপ্রিয়তা বেড়েছে না কমেছে, আমি জানি না। টিকটকে আমাকে মানুষ অনেক সাপোর্ট দিয়েছে, পছন্দ করেছে; যার জন্য এক সময় ঘন ঘন বা অনবরত করা হতো… আমার ফলোয়ার এ জন্যই বেড়েছে। কিন্তু সবাই আমাকে ভালোবাসে।’

রায়হান রাফী পরিচালিত পরাণ ছবি দেখে দীঘি তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, বাংলা সিনেমার টিকেট পাওয়া যাচ্ছে না এটা সত্যি অনেক আনন্দের। বিশেষ করে পরাণের সঙ্গে আরো দুটি ইংলিশ ছবি চলছে। সেগুলোর চেয়ে পরাণ বেশি দেখছে এটা একজন দেশিয় শিল্পী হিসেবে আমার কাছে ভীষণ শান্তির। তাছাড়া সবখানে হাউজফুল যাচ্ছে এটা শুনে খুশি হচ্ছি। ‘পরাণ’র স্ক্রিন-প্লে ও সকলের অভিনয় আমাকে মুগ্ধ করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *