আইসিএসসি পরীক্ষার ফলাফল বেরিয়েছে সম্প্রতি। এবার পরীক্ষা দিয়েছিল অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর কন্যা মাইয়া, অর্থাৎ ঐশী সান্যাল। তাক লাগানো রেজ়াল্ট করেছে সে। সর্বসাকুল্যে পেয়েছে ৯৫% নম্বর। সব বিষয়েই পেয়েছে ৯০% নম্বরের বেশি। বাংলা, ইংরেজি থেকে শুরু করে অঙ্ক… সবেতেই তাঁর দারুণ ফলাফল।
এরপর বিজ্ঞান কিংবা বাণিজ্য নয়, কলা বিভাগ নিয়ে লেখাপড়া করবে ঐশী। মায়ের মতো মেয়েও ছক ভাঙল। সে প্রমাণ করল, ভালো রেজ়াল্ট করলে কেবল ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়রিং নয়, কলা বিভাগের গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়েও লেখাপড়া করা যায়।
এত গেল উচ্চশিক্ষার প্রসঙ্গ। জীবনে কী হতে চায় শ্রীলেখার কন্যা? মায়ের মতো অভিনয় করতে চায় কি? নাকি টালিউড কিংবা বিনোদন জগৎ থেকে দূরে থাকতে চায়?
শ্রীলেখা জানিয়েছেন, মেয়ের ইচ্ছা সে পরবর্তীকালে সিনেমা পরিচালনা করবে। তবে এতে মা কিংবা বাবার ইচ্ছার কোনো ব্যাপার নেই। এটি মূলত ঐশী চায়। আর মেয়ে যা চায়, মা-বাবারও তাতে সায় আছে। সে যাই হতে চায় না কেন, পরিবারের পুরোপুরি সমর্থন পাবে। সম্প্রতি দুটি শর্টফিল্ম তৈরি করার কাজে ব্যস্ত শ্রীলেখা। একটি তৈরিও হয়ে গেছে। ঐশী মায়ের পরিচালনা খুঁটিয়ে দেখেছে।
শ্রীলেখা বলেছেন, আমার মেয়ে আমার কাজের সমালোচনা করে। আমার সেটি দেখে খুবই ভালো লাগে। ও আমার ক্রিয়েটিভ। কাজটা জানার ও বোঝার চেষ্টা করে।
শ্রীলেখা তার মা-বাবা দুজনকেই হারিয়েছেন। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদও হয়েছে তার। কলকাতার একটি বিলাসবহুল বাড়িতে মেয়েকে নিয়ে থাকেন। মেয়ে যদিও মা-বাবা দুজনের কাছেই ভাগাভাগি করে থাকে। কেননা বিবাহবিচ্ছেদের পর কোপ্যারেন্টিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিনেত্রী ও তার সাবেক স্বামী। ফলে মেয়ে মাকেও পায়, বাবাকেও পায়।
তবে মা-বাবা হারা শ্রীলেখার সহায়সম্বল এই মেয়েই। মাকে রীতিমতো আগলে রাখে ঐশী। তাকে খানিক শাসনেও রাখে। শ্রীলেখা বলেছেন, আমার মেয়েই তো মা-বাবার জায়গা নিয়ে নিয়েছে এখন।।
