আমি এখন শামুকের মতো হয়ে গেছি: মৌসুমী

ঢাকাই সিনেমার প্রিয়দর্শিনী খ্যাত মৌসুমীকে ঘিরে সম্প্রতি আলোচনার শেষ নেই। তাকে কেন্দ্র করে ওমর সানী-জায়েদের লড়াই, এরপর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, সংসার ভাঙনের গুঞ্জন নানান বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত দূরত্ব মিটিয়ে এক হয়ে গেছেন সানী-মৌসুমী। যা ভক্তদের মনে দিয়েছে স্বস্তি।

তবে এখনো যেন অভিনেত্রীর মনে কিছু অভিমান, কিছু ব্যথা রয়ে গেছে। বুধবার (২৩ জুন) ইনস্টাগ্রামে করা তার পোস্টে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেলো।

এদিন ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে মৌসুমী লিখেছেন, ‘লুকিয়ে থাকতে চাইলেই লুকিয়ে থাকা যায়। সামনে যেটা থাকে সেটা শরীর। আমি এখন শামুকের মতো হয়ে গেছি। আড়াল করে নিজেকে নিয়ে আছি, এটাই স্বস্তি।’

প্রিয়দর্শিনী খ্যাত নায়িকা আরও লিখেছেন, ‘যখন দিনের আলো দেখার সুযোগ হয়, নিজেকে বেমানান লাগে।’ তবে পুরো কথা যেন বলতে গিয়েও বললেন না!

সিলেটের বন্যাদুর্গত মানুষের কথাও স্মরণ করেছেন তিনি, ‘সিলেটবাসীর কাছে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। হয়তো সুযোগ হলে যাবো, আপনারা সবাই তাদের জন্য দোয়া করবেন।’

অন্যদিকে সামাজিক ও গণমাধ্যমে বক্তব্য এসেছে তার স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানীর। তিনি জানান, এখন বেশ ভালো আছেন তারা। সবার দোয়া ও ভালোবাসায় সব অভিমান মিটে গেছে। একই ছাদের নিচে ও ঘরে বসবাস করছেন মৌসুমী ও সানী।

তবে মৌসুমীর এমন পোস্ট অনেক কিছুই ভাবাচ্ছে তার ভক্তদের। আসলেই কি ভালো আছেন এই তারকা দম্পতি?

গত কয়েক দিন ধরেই গুঞ্জন চলেছে ওমর সানী-মৌসুমীর সংসার ভাঙনের। তা আরও জোরদার হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে সানীর দেওয়া অভিযোগপত্রে। তিনি জানান, চিত্রনায়ক জায়েদ খান তাদের ২৭ বছরের সুখের সংসার ধ্বংস করে দিচ্ছেন।

এই কারণেই এর আগে অভিনেতা-প্রযোজক ডিপজলের ছেলের বিয়েতে বাধে সংঘ’র্ষ। সানী সপাটে চড় মারেন জায়েদ খানকে। অভিযোগ আছে, জায়েদ খানও পি’স্তল দিয়ে গু’লি করার হু’মকি দিয়েছেন। চড় মারার কারণ হিসেবে সানী দাবি করেন, গত চার মাস ধরে জায়েদ মৌসুমীকে ডিস্টার্ব ও অসম্মান করছে।

তবে মৌসুমীই উল্টো জানিয়ে দেন, জায়েদ খান ভালো ছেলে। এটা সানী ও তার দাম্পত্য জীবনের ভুল বোঝাবুঝি। এরপর থেকেই সানীর দিকে আঙুল তুলেছেন অনেকে।

তবে ১৬ জুন মধ্যরাতে সানী একটি ছবি প্রকাশ করেন। যেখানে দেখা যায়, খাবার টেবিলে মুখোমুখি বসে আছেন মৌসুম ও তিনি। এরপরই সানী জানিয়েছিলেন তারা ভালো আছেন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *