বাংলা নাটকে দারুণ অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন তাসনিয়া ফারিণ। দক্ষ অভিনয়ের সুবাদে ওয়েব প্ল্যাটফর্মেও অভিষেক হয়েছে তার। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মতো নির্মাতার প্রজেক্টে কাজ করে ফেলেছেন এ অভিনেত্রী।
এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন ফারিণ। নাম লেখালেন সিনেমায়। তবে দেশের নয়, কলকাতার সিনেমায়। টলিউডের প্রশংসিত নির্মাতা অতনু ঘোষের পরিচালনায় নির্মিতব্য সিনেমাটির নাম ‘আরও এক পৃথিবী’। গত ১৯ মে থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে ছবিটির শুটিং হয়। টানা তিন সপ্তাহ চলেছে শুটিং। সম্প্রতি ঢাকায় পৌঁছেছেন ফারিণ।
এক মাস পর দেশে ফিরে অভিনেত্রী একটি গণমাধ্যমকে জানান প্রথম সিনেমার কাজের অভিজ্ঞতা, ‘প্রায় ২০ দিন সিনেমার শুটিং করেছি। লন্ডনেই পুরো ছবির কাজ হয়েছে। শুটিং শেষে কয়েক দিন বেড়িয়েছি। আগে টানা শুটিংয়ের কারণে ঘোরার সময় মেলেনি। একা একা লন্ডন শহরে ঘুরেছি। দুটি থিয়েটারও দেখেছি।’
যদিও দেশ ছাড়ার আগে একটু চিন্তায়ই ছিলেন ফারিণ। একে তো প্রথম সিনেমা, তা–ও আবার অন্য দেশের। শুটিংও দেশের বাইরে হবে—সব মিলিয়ে কিছুটা নার্ভাস ছিলেন।
ফারিণ বলেন, ‘লন্ডনে আগে যাইনি। এত দূরে গিয়ে সম্পূর্ণ অপরিচিত একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে হবে, একা একা অনেক দিন থাকতে হবে, কতটুকু ভালোভাবে কাজ করতে পারব, তা নিয়ে চিন্তা ছিল। এ ছাড়া লন্ডনের আবহাওয়া প্রায়ই খারাপ থাকে, এ ভাবনাও ছিল। কিন্তু যাওয়ার পর ধারণাই পাল্টে গেছে। এত সুন্দর একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি, কখনো ভুলব না।’
ফারিণ জানান, সেন্ট্রাল লন্ডনসহ প্রায় ৩৭টি লোকেশনে কাজ করেছেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘শুটিং করতে করতে পুরো লন্ডন প্রায় দেখা হয়ে গেছে। অনেক লোকেশনে কাজ করেছি তো। বলতে পারেন পুরো শহর ভেজে খেয়েছি (হা হা হা…)। লন্ডন দেখার জন্য আলাদাভাবে ঘুরতে হয়নি।’
‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমায় ফারিণের চরিত্রের নাম ‘প্রতীক্ষা’। ছবিতে দেখা যাবে, ফারিণের মতোই প্রথমবার লন্ডনে যায় প্রতীক্ষাও।
এই কাকতালীয় ব্যাপারটিও বেশ মনে হচ্ছে অভিনেত্রীর, ‘গল্পের সঙ্গে আমার বাস্তবতা মিলে গেছে। শুটিংয়ের সময় এটা বেশ উপভোগ করেছি।’
ছবিতে ফারিণের সহ–অভিনেতা পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত পরিচালক ও অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলী, ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ অনিন্দিতা রায় চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে কাজ করে এককথায় মুগ্ধ, বললেন ফারিণ।
