টিভি নাটকের অন্যতম দর্শকপ্রিয় তারকা জাহিদ হাসান। নব্বই দশকের শুরুতে টিভি নাটকের নায়কদের মধ্যে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল মুখ। সিনেমা করেও পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অভিনয় নিয়ে এখনও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন এ অভিনেতা।
প্রশ্ন: নব্বই দশক থেকে শুরু করে এখনো অভিনয়ে আগের মতোই ব্যস্ত।
জাহিদ হাসান: ভালোবাসা, প্রেম, সততা, আন্তরিকতা ও চেষ্টা ছাড়া কোনো কাজে সফলতা সম্ভব না। সংগ্রাম ও সাধনাটাও দরকার। আমি তো এক জীবনে অভিনেতাই হতে চেয়েছিলাম। অভিনেতা ছাড়া আর কিছুই হতে চাইনি।
দীর্ঘ দিন ধরে টানা অভিনয় করতে পারায় কৃতজ্ঞতা জানাই আমার সৃষ্টিকর্তাকে, ভালোবাসা জানাই আমার দর্শকদের। আরও ভালোবাসা আমার সব সহশিল্পী, পরিচালক, নাট্যকার, সাংবাদিক ও প্রতিটি নাটকের ইউনিটের সবার প্রতি। সবার দোয়াতেই তো আজকের আমি।
প্রশ্ন: একাধিকবার বলেছিলেন সিনেমা পরিচালনা করতে চান। সেই স্বপ্নের সিনেমা আসছে কবে?
জাহিদ হাসান: সত্যি কথা বলতে, সিনেমা নির্মাণের প্রচণ্ড স্বপ্ন আমার ভেতরে বাস করত, এখনো করে। সিনেমা বানানোর স্বপ্ন ছিল, কিন্তু এখন আর ইচ্ছে নেই। কারণ সিনেমা বানাতে হয় সিনেমা হলের জন্য, দর্শকের জন্য। সিনেমা হলই তো দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাহলে সিনেমা বানাব কীভাবে? এ জন্য স্বপ্ন থাকলেও ইচ্ছেটা আর নেই।
প্রশ্ন: এত সীমাবদ্ধতার মাঝেও যারা সিনেমা বানাচ্ছেন, তাদেরকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?
জাহিদ হাসান: অবশ্যই পজিটিভলি দেখি। এত সীমাবদ্ধতার মাঝেও যারা সিনেমা বানাচ্ছেন তারা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখেন। তারা সিনেমা শিল্পকে ভালোবেসেই কাজটি করে যাচ্ছেন। আমিও তো সিনেমায় অভিনয় করি। এত সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমি আশাবাদী, একদিন সিনেমার সুদিন ফিরবে।
প্রশ্ন:৩ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। আর কী প্রত্যাশা আছে সিনেমা থেকে?
জাহিদ হাসান: পুরস্কার একটি মানদণ্ড, কাজের স্বীকৃতি। শিল্পীরা কাজ করেন ভালোবাসা থেকে। আর পুরস্কার পেলে তার উৎসাহ ও দায়বদ্ধতা বেড়ে যায়।
সিনেমায় আরও ভালো ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। বার বার চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে নতুনভাবে দেখতে চাই।
