একই ছাদের নিচে থেকেও কোনো কথা হচ্ছিলো না ওমর সানী-মৌসুমীর। হচ্ছিলো না কোনো যোগাযোগ। মৌসুমী নিজ থেকেই সানীকে এড়িয়ে চলছিলেন! বিষয়টি ওমর সানীই প্রকাশ্যে আনেন। এরপরই শুরু হয়ে গুঞ্জন। তাহলে সানী-মৌসুমীর সংসার কি ভাঙছে?
অবশেষে গুঞ্জনের পাহাড়ে এক পশলা বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে নিলো সব। বৃহস্পতিবার রাতে খাবারের টেবিলে একসঙ্গে খাবার খাওয়ার ছবি দিয়ে ওমর সানী বুঝিয়ে দিলেন তাদের ভালোবাসা এতো ঠুনকো নয়। মান-অভিমান থাকবে, ভুলবোঝাবুঝি হবে কিন্তু একে অপরকে ছাড়া যাবে না।
ছবির ক্যাপশনে সানি লেখেন, সবাই ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন আমাদের জন্য।’ তাই ধরেই নেওয়া হচ্ছে তাদের ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবন অটুটই থাকছে।
এদিকে এ ছবি প্রকাশ্যে আসতেই আনন্দে আটখানা ঢালিউড হয়ে নেটাগরিকরা। শুভেচ্ছা জোয়ারে ভাসছেন সানী-মৌসুমী। কমেন্ট বক্সে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছে দুজনকে। কেউ লিখেছে, আলহামদুলিল্লাহ আবার কেউ লিখেছে প্রিয় জুটিকে একসঙ্গে দেখে ভালো লাগছে সকল কু-নজর থেকে দূরে রাখুক আপনাদের।
সাম্প্রতিক এই অপ্রীতিকর ঘটনার সূত্রপাত ‘মুভিলর্ড’ খ্যাত অভিনেতা-প্রযোজক ডিপজলের ছেলের বিয়েতে। সেখানে উপস্থিত হয়ে ওমর সানী সপাটে চড় মারেন জায়েদ খানকে। অভিযোগ আছে, জায়েদ খানও পি’স্তল দিয়ে গু’লি করার হু’মকি দিয়েছেন। চড় মারার কারণ হিসেবে সানী দাবি করেন, গত চার মাস ধরে জায়েদ মৌসুমীকে ডিস্টার্ব ও অসম্মান করছে।
শনিবার (১১ জুন) রাতে সেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এর পরদিন (১২ জুন) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে অভিযোগ করেন ওমর সানী। একই দিন জায়েদ খান ভালো ছেলে এবং স্বামীকে সানী ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে গণমাধ্যমে বার্তা পাঠান মৌসুমী। হতে থাকে জলঘোলা পরিবেশ। এই নতুন ছবি প্রকাশ যেন সব জল্পনার আগুনে পানি ঢেলে দিলো।
