কখনো গায়ক আবার কখনো অভিনেতা হিসেবে সবার সামনে হাজির হন সোস্যাল মিডিয়ার ভাইরাল আলোচিত-সমালোচিত তারকা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গান আর অভিনয় দিয়ে হাস্যকর মানুষ হওয়ার পরও যেন নিজ গতিতে এগিয়ে চলছেন তিনি।
ক’দিন আগে রবীন্দ্রসংগীতের ‘আমারও পরানো যাহা চায়’ গেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ওপার বাংলার কিংবদন্তি শিল্পী মৌসুমী ভৌমিকের `আমি শুনেছি সেদিন তুমি’ গানটিও কণ্ঠে তুলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন হিরো আলম। এরপর বলিউড গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথের মৃত্যুর পর তার জনপ্রিয় গান ‘জিন্দেগি দো পাল কি’ গেয়েও সমালোচিত হন তিনি।
ভাইরাল রোগে আক্রান্ত এই হিরো আলম গোটা দেশের সংস্কৃতিকে অসম্মান করছে বলে অনেকেই মনে করছেন। আর এর প্রতিবাদে এবার মানববন্ধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ সংস্থা নামে একটি সংগঠন এই প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি করে।
মানববন্ধনে সংগঠনের বক্তারা বলেন, এই কথিত অভিনেতা হিরো আলমের কারণে আমাদের সংস্কৃতিকে হেয় করে ভারতীয়রা। আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে নানা কটূক্তিমূলক কথা বলে তারা।
সংগঠনের সভাপতি বিপ্লব শরীফ জানান, আমাদের কাছে মনে হয়েছে, গান ও অভিনয়কে বিকৃত করার তালিকায় হিরো আলম সবার থেকে এগিয়ে আছেন। তাকে সবাই প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তুলেছেন। এ জন্য তিনি মানুষের আবেগ ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে যাচ্ছে। এছাড়াও নানা অভিযোগ রয়েছে এই কথিত হিরোর বিরুদ্ধে। আর রবীন্দ্রসংগীত বিকৃতি করার জন্য তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি আমরা।
এ বিষয়ে হিরো আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি মোটেও রবীন্দ্র সংগীত গাইনি। যে গানটি ভাইরাল হয়েছে, সেটির দু-এক লাইন গেয়েছিলাম। ওই গানটি আমার অফিশিয়াল কোনো পেজ বা চ্যানেল থেকে প্রকাশ হয়নি। আর ভুলভাল ভাবে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। এছাড়া কেউ একজন তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে ভুলভাল ছড়াচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
