ঢালিউডের এই সময়ের সবচেয়ে ব্যস্ত নায়িকার নাম শবনম ইয়াসমিন বুবলী। তার অভিনীত কয়েকটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায়। হাতে আছে আরও কয়েকটি।
কয়েক দিন আগে মাসুদ মহিউদ্দিন ও হাসান সিকদার পরিচালিত ‘প্রেম পুরাণ’ সিনেমার শুটিংয়ে বুবলী গিয়েছিলেন বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায়। ঢাকায় ফিরেছেন গত রোববার।
বুবলী জানালেন, সেখানে গিয়ে মিলেছে জীবনের সেরা প্রাপ্তি। তালতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুটিং করছিলেন বুবলী। অনেকেই এসে ভিড় জমিয়েছেন শুটিং দেখতে। সকাল থেকে রাত অবধি বুবলীর অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা। একটু সময়ের জন্য হলেও তাঁরা বুবলীর সঙ্গে দেখা করতে চান, কথা বলতে চান, সেলফি তুলতে চান। অনেকেরই সুযোগ মেলে, আবার নিরাপত্তার কারণে অনেকেরই সেই সুযোগ মেলে না।
এমন অবস্থায় তালতলীর এক নানি-নাতনি বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়েন বুবলীর। নানি ও নাতনি দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষায় ছিলেন বুবলীর সঙ্গে দেখা করার আশায়। বুবলী ব্যস্ত ছিলেন শুটিংয়ে। কাজের ফাঁকে নানি ও নাতনিকে ডেকে পাঠালেন বুবলী।
বুবলীর সামনে এসে তারা বেশ অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন এবং কাঁদতে শুরু করে দিলেন। নাতনি সামনা আক্তারের বিশ্বাসই হচ্ছিল না তিনি বুবলীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন। সামনা বললেন, ‘গতকাল সারা রাত প্রার্থনা করেছি, যেন আপনার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাই।’
বুবলী তাঁদের কাছে ডেকে নিলেন, নানি-নাতনির সঙ্গে কথা বললেন, ছবি তুললেন।
বুবলী বলেন, ‘মুহূর্তেই আমার চোখ দুটো ছলছল করে উঠল। আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। কিন্তু আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য তার মনের এই আকুতি আমাকে আবেগাপ্লুত করেছে। কী অদ্ভুত এক ভক্ত আমার! মনে হলো, যদি তাদের সঙ্গে দেখা না করতাম, তাহলে কী কষ্টটাই না পেত! সামনাকে ও তার নানিকে আজীবন মনে থাকবে আমার। এখন পর্যন্ত আমার অভিনয়জীবনের সেরা মুহূর্ত আর প্রাপ্তি এটা।’
