চঞ্চল চৌধুরী। তারকা অভিনেতা। শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ছবি ‘পাপ পুণ্য’। গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত এ ছবি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেতা।
নতুন সিনেমা মুক্তির পর কেমন লাগছে?
প্রতিটি নতুন সিনেমা আমার কাছে নতুন অভিজ্ঞতা। নতুন সিনেমা মানেই দর্শকদের কাছে নতুন গল্প নিয়ে উপস্থিত হওয়া। এক জীবনে অনেক জীবন পাওয়ার স্বাদ শিল্পী জীবনেই সম্ভব। শিল্পী জীবনকে উপভোগ করি। নতুন সিনেমা মুক্তির পর এক ধরনের বাড়তি ভালোবাসা সবসময়ই কাজ করে। এবারও করছে।
‘পাপ-পুণ্য’ বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অনেকগুলো প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
বাংলাদেশের সিনেমার জন্য এটি বিরাট সম্ভাবনার বিষয়। বাংলাদেশের সিনেমার জন্য বিশ্বের দরজা খুলে যাচ্ছে। কিন্তু এটা ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের। সেজন্য ভালো সিনেমা নির্মাণের বিকল্প নেই। দেশের বাইরে থেকে অনেকে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আমার মনটা ভরে গেছে। আমি চাইব, আয়নাবাজি’ ও ‘দেবীর’ মতো ‘পাপ-পুণ্য’ও মানুষ দেখুক। নি:সন্দেহে ‘পাপ-পুণ্য’ ভালো সিনেমা। আমি নিজে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখেছি। পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম শতভাগ যত্ন নিয়ে নির্মাণ করেছেন। আমরা যারা অভিনয় করেছি, শতভাগ ভালোবাসা দিয়ে অভিনয় করেছি।
সিনেমাটির প্রচার কি আশানুরূপ হয়েছে?
যে কোনো সিনেমার জন্য প্রচার একটি বড় ভূমিকা রাখে। মানুষকে তো জানাতে হবে, একটি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। ভালো সিনেমার জন্য প্রচার আরও দরকার। আমি সাধ্যমত চেষ্টা করছি ‘পাপ-পুণ্য’ প্রচারের জন্য। আমাদের অনেকেই এর প্রচার কাজ করছেন, প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখছেনও। তাদেরকে ভালোবাসা জানাই। কিন্তু সম্মিলিতভাবে সবাই কি প্রচার করছেন? অথচ সবারই প্রচারের জন্য এগিয়ে আসা উচিত। সিনেমা সবার। ভালো সিনেমার কথা অনেকে বলেন, তারা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ‘পাপ-পুণ্য’ দেখুন। দেখার পর প্রশংসা বা সমালোচনা করুন। অভিনয়, পরিচালনাসহ মিডিয়ায় কয়েক হাজার মানুষ আছেন। আমি মনে করি, তাদের সবারই উচিত ভালো সিনেমার প্রচারে এগিয়ে আসা। তাহলে সিনেমা শিল্পেরই জয় হবে।
এবার অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক। সিনেমার পাশাপাশি ওটিটিতেও আপনি সরব। এ মাধ্যমের ভবিষ্যৎ কেমন?
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সময়ের দাবি। মানুষ ঘরে বসে ছবি দেখতে চায়। করোনাকালে এ প্রবণতা আরও বেড়েছে। সে হিসেবে ওয়েবের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। আগামীতে বড় জায়গা তৈরি হবে। ভালো কনটেন্ট দিয়ে দর্শক ধরে রাখতে হবে। এটাই এখন চ্যালেঞ্জ।
অনেক দিন মঞ্চে অনুপস্থিত…
সিনেমা, টিভি নাটক, অনলাইন মাধ্যম আর ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মঞ্চের জন্য আলাদা সময় বের করতে পারছি না। ব্যস্ততা কমলে নতুন কাজ করব। সবই নির্ভর করছে সময়ের ওপর।
