পদ্মা সেতুতে নিয়ে চোবানোর যে কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাকে হ’ত্যার হুমকি হিসেবে দেখছে বিএনপি। সরকারপ্রধানকে এই ধরনের কথা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নইলে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
আওয়ামী লীগ প্রধান পদ্মা সেতু, বেগম খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসকে নিয়ে বক্তব্য রাখার পরদিন বৃহস্পতিবার তার জবাব দেন ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘দেশের একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি এসব কথা বলতে পারেন না। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেত্রীকে এভাবে বলা মানে সরাসরি হ’ত্যার হুমকির সামিল। সেতু থেকে ফেলে দেওয়া—এটা কখনো স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না। তার এই উক্তির জন্য আমরা প্রচণ্ড নিন্দা জানাই এবং এ রকম অরাজনৈতিক, অশালীন বক্তব্য কখনও আশা করি না। এ ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি, না হলে এ ধরনের উক্তির জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’
বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বিকেল ৩টায় শহরের বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
বিদেশিদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি—এমন অভিযোগের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তো নির্বাচন লুট করে নিয়ে যায়। বিদেশিদের সঙ্গে তারাই যোগাযোগ করেন। আমেরিকায় গিয়ে পরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সাহায্যে চেয়েছেন বিএনপিকে ভোটে অংশগ্রহণ করানোর জন্য। আমরা বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি না, তারাই যোগাযোগ করেন। তার অনেক প্রমাণ রয়েছে।’
পদ্মা সেতু কারও বাপের টাকায় তৈরি না মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন খাতে মানুষের কাছে টাকা নিয়ে এই সেতু তৈরি করা হয়েছে। এখানেও তারা লুটপাট করেছেন। ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ ৪০ হাজার কোটি টাকায় করেছেন।’
এ সময় অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল জব্বার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহদাৎ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
