কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে মারা গেছেন। রোববার (১৫ মে) তার ঝুলন্ত মর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এমন রহস্যজনক মৃত্যুর পর নানান তথ্য উঠে আসছে গণমাধ্যমে।
প্রাথমিক তদন্ত সেরে পুলিশ জানিয়েছে, বিছানার চাদর দিয়ে পল্লবীর গলায় ফাঁ’স লাগানো ছিল। তবে তিনি আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন কিনা, সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। কোনো সুই সাইড নোটও পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, গত দেড় মাস ধরে এক যুবকের সঙ্গে কলকাতার গড়ফা এলাকায় বসবাস করতেন পল্লবী। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে বিয়ে করেননি। এর আগে তারা হাওড়ায় থাকতেন। রোববার (১৫ মে) সকালে সিগারেট খেতে বাইরে গিয়েছিলেন পল্লবীর সঙ্গী।
এরপর ফিরে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতেই তিনি পল্লবীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। তাৎক্ষণিক পুলিশে খবর দেন তিনি। এরপর পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে পল্লবী ও তার সঙ্গীর মধ্যে কয়েকবার কথাকাটাকাটি হয়েছিল। তবে কী নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
পল্লবীর ফেসবুক প্রোফাইল বলছে, ২০২১-এর ১৯ জুলাই তার সম্পর্কের স্ট্যাটাস ছিল ‘ইন এ রিলেশনশীপ’। সেই স্ট্যাটাসে অনেকে অভিনন্দনও জানিয়েছিলেন।
জানা যায়, পল্লবীর সঙ্গে ওই যুবকের সম্পর্ক প্রায় দেড় বছরের। ইতোমধ্যেই পল্লবীর প্রেমিককে গড়ফা থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে, পল্লবীর পরিবারের দাবি, আ’ত্মহ’ত্যা নয়, খু’ন করা হয়েছে তাদের মেয়েকে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও নাম তারা বলেননি। অপেক্ষা করছেন ময়না তদন্তের রিপোর্টের জন্য।
