আগেই জানা গিয়েছিল বাংলাদেশের কোনো সিনেমা হিসেবে প্রথমবারের মতো দেশের বাইরের শতাধিক হলে একযোগে মুক্তি পাবার ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে ‘পাপ পুণ্য’ সিনেমাটি। সম্প্রতি জানা যায় হলের তালিকা। সেখান থেকে দেখা যাচ্ছে, উত্তর আমেরিকার ১১২টি হলে আগামী ২০ মে বাংলাদেশের সাথে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তারকাবহুল এই সিনেমার হল তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক পরিবেশক সংস্থা স্বপ্ন স্কেয়ার ক্রো। যা দেখে মুগ্ধ অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।
এরআগে ২০১৬ ও ২০১৮ সালে চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত ‘আয়নাবাজি’ ও ‘দেবী’ যথাক্রমে কানাডার ৪টি ও ৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। অল্প সংখ্যক হলে মুক্তি পেলেও ছবি দুটি সে সময় বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করতে সমর্থ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার উত্তর আমেরিকার বিশাল সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে চঞ্চল অভিনীত ‘পাপ পুণ্য’।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র শুভমুক্তির বেলায় ইতিহাস! মুক্তির আগে উত্তর আমেরিকার ১১২ টি হলে তালিকা জানিয়েছে উত্তর আমেরিকায় ‘পাপ পুণ্য’ মুক্তি দেয়া আন্তর্জাতিক পরিবেশক সংস্থা স্বপ্ন স্কেয়ার ক্রো।
যা দেখে উচ্ছ্বসিত চঞ্চল চৌধুরী নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘উত্তর আমেরিকার দর্শকদের জন্য আমার অনেক ভালোবাসা জমে আছে। আয়নাবাজি এবং দেবী সেখানে অনেক বড় সফলতা পেয়েছে, একথা সবার জানা। এবার পরিবেশক ‘স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো’ কানাডা ও আমেরিকার ১১২ টি থিয়েটারে আমার নতুন সিনেমা ‘পাপপুণ্য’ মুক্তি দিচ্ছে। লিস্ট দেখে আমার মনটা ভরে গেছে।
তিনি বলেন,‘ভালো লাগছে কানাডা ও আমেরিকার ১২ লাখ বাংলাদেশি চাইলেই কাছের থিয়েটারে দেশের সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন।’
স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো এর প্রেসিডেন্ট অলিউল্লাহ সজীব মনে করেন, বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাসে এটি যে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। আন্তর্জাতিক বক্স অফিসে ভারতীয় সিনেমার যে দাপট, তার শুরুটা হয়েছিল কিন্তু অধিকসংখ্যক থিয়েটারে অধিক মানুষের কাছে তাদের সিনেমা নিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। ‘পাপ পুণ্য’ মুক্তি পাচ্ছে এক যোগে কানাডার ৫টি প্রভিন্সের ৮টি শহর এবং আমেরিকার ২৫টি স্টেট এর ১০০ এর বেশি শহরে। এতে করে সিনেমাটি ২০মে থেকে আমেরিকা ও কানাডার মোটামুটি ১মিলিয়ন এর বেশি (বাংলাদেশের সিনেমার) দর্শকের দেখার সুযোগ হচ্ছে।
মনপুরা’র বিশাল সাফল্যের পর গিয়াস উদ্দিন সেলিম ও চঞ্চল চৌধুরী জুটির ‘পাপ পুণ্য’ নিয়ে দর্শকদের বিশাল আগ্রহ রয়েছে বলে মনে করে প্রযোজনা সংস্থা ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। সেইসাথে এ সিনেমায় আছেন আফসানা মিমি, এই সময়ের ক্রেজ সিয়াম আহমেদ, নবাগত সুমিসহ একঝাঁক তারকা।
