অভিনেতা জায়েদ খানকে ‘অলরাউন্ডার’ বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। আর তার এই মন্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন চলচ্চিত্রের মুভি লর্ড খ্যাত তারকা ডিপজল।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনে ঈদের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে এ কথা বলেন ডিপজল-মৌসুমী। এ সময় তাদের সামনেই উপস্থিত ছিলেন জায়েদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ডিপজল ও মৌসুমীর কাছে জানতে চাওয়া হয়— জায়েদ খানের নামের আগে কি বলা যেতে পারে। জবাবে তারা দু’জনই বলেন, ওকে (জায়েদ খান) অলরাউন্ডার বলা যায়।
এরপর ছোট বেলার ঈদ প্রসঙ্গে ডিপজল বলেন, ছোট বেলায় ঈদে জামা-কাপড় কিনতাম। কখন কিনব এ নিয়ে আগ্রহ থাকতো। তবে সব সময় আমাকে আগেই কিনে দেয়া হতো। আমি একটু দুষ্ট ছিলাম, কিনে না দিলে বাসায় একটু ডিস্টার্ব হতো। এ কারণে আগেই কিনে দেয়া হতো আমায়। তবে এখন শান্ত আমি।
অভিনেত্রী মৌসুমী বলেন, আমাদের বাড়িতে নিয়ম ছিল আগে যাকাত দেয়া হবে, তারপর ঈদের কেনাকাটা। কিন্তু সেই পর্যন্ত ধৈর্য হতো না আমার। কখনো যদি ১০ রোজার মধ্যে যাকাত দেয়া না হতো, তা যদি ১৫ রোজা পর্যন্ত যেত তাহলে আমাদের কেনাকাটাও তার আগে হতো না। তখন আমাদের কান্নাকাটি শুরু হতো। কারণ সবাই ঈদের কেনাকাটা করছে কিন্তু আমাদের হচ্ছে না।
অভিনেতা জায়েদ খান বলেন, আমি গ্রামে বড় হয়েছি। ঢাকা শহর আমার কাছে স্বপ্নের মতো। ঢাকায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বিল্ডিং গুনতাম, জায়গা দেখতাম। একবার ঈদের আগের রাতে রওনা দিলাম; সকালে গিয়ে নামব ও নামাজ পড়ব। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি নদীর চরের মধ্যে লঞ্চ ভেসে আছে। যাচ্ছে না, আটকে গেছে। দেখি সবাই নামাজ পড়তে যাচ্ছে, আর আমি আটকে আছি নদীর মধ্যে। প্যান্ট আর জুতা নিয়ে একা একা কাঁদতেছি আমি। পরে যখন জোয়ার আসলো, লঞ্চ ছাড়লো তখন সন্ধ্যা। ঈদই শেষ হয়ে গেল।
এই অভিনেতা বিয়ের বিষয়ে বলেন, এখন যেহেতু মা-বাবা নেই। আর সত্যি কথা, আমি আমার পছন্দে বিয়ে করব। পছন্দও আছে। ঈদের আমেজ যাক, তারপর ভাইয়া (ডিপজল) আছে, এ নিয়ে আলোচনা করব।
