রাজধানীর নিউমার্কেটে সংঘর্ষের সময় নাহিদ ও মোরসালিনকে কু;পিয়ে হ’ত্যার ঘটনায় ৩ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এরমধ্যে নাহিদকে কুপিয়েছে রাব্বী নামের ঢাকা কলেজের এক আবাসিক হলের শিক্ষার্থী।
সংঘর্ষের সময় নাহিদকে দুইজন রামদা দিয়ে এবং মোরসালিনকে একজন রামদা দিয়ে কো’পায়। এদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ডিবি পুলিশ। খবর- যমুনা নিউজের
ফেসবুক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নিথর পড়ে থাকা একটি দেহের উপর নির্মমভাবে কো’পাচ্ছে এক যুবক। হেলমেট পরা যুবকের নাম রাব্বী। ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থী থাকেন কলেজের নর্থ হলে। টানা দুইদিন ধরে চলা নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে এই দৃশ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ঘটনার সময়কার ফুটেজ ও ছবি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গাঢ় ছাই রঙের গেঞ্জি ও জিন্স পরা যুবক মাটিতে পড়ে থাকা নাহিদকে কো’পানোর আগে সেখান থেকে কাল শার্ট ও জিন্স পরা এক যুবক ফিরে আসছে। তার হাতেও ছিল রামদা।
তদন্তকারীদের তথ্য অনুসারে, ১৯ তারিখ বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নিহত নাহিদ ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের পক্ষ হয়ে সংঘর্ষে জড়ান। একটি বড় ছাতা হাতে তাকে সংঘর্ষের একদম সামনে দেখা যায় অন্তত দুই ঘণ্টা ধরে। শিক্ষার্থীদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে নাহিদ ইটের আঘাতে আহত হয়ে সড়কে পড়ে যান। এরপর তার উপর নির্মম হামলা চালায় হেলমেটধারী কিছু যুবক। তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন, নাহিদকে সেদিন ২ জন পরপর কো’পায়। এরমধ্যে সবচেয়ে হিংস্র দেখা গেছে এই রাব্বীকে। রাব্বীর আগের হামলাকারীকেও শনাক্ত করা হয়েছে।
নাহিদ হ;ত্যার পরদিন হাসপাতালে মারা যান দোকানকর্মী মোরসালিন। তদন্তকারীরা নিশ্চিত হয়েছেন, তাকেও কু’পিয়েছে ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী। মোরসালিনের হ’ত্যাকারীকেও শনাক্ত করা গেছে।
শনাক্ত করা সবাইকে নজরদারীতে রেখেছে তদন্তকারীরা। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এম হাফিজ আক্তার বলেন, মামলা হয়েছে এবং কাজ চলছে। সকল ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
